Showing posts with label মিষ্টান্ন. Show all posts
Showing posts with label মিষ্টান্ন. Show all posts

সুজির চমচম Shujir Chomchom

সুজির চমচম Shujir Chomchom

সুজির চমচম রেসিপি





উপকরণ :- সুজি ১ কাপ, দুধ ২ কাপ, ডিম ১টা, বেকিং সোডা এক চিমটি, ঘি ১ চামচ, নুন সামান্য, চিনি ১ টেবিল চামচ, খোয়াক্ষীর ১০০ গ্রাম, চমচম ভাজবার জন্য তেল, তাছাড়া চিনির সিরা বানানোর জন্য লাগছে চিনি ১ কাপ, জল ২ কাপ আর লাগছে এলাচ ২ টো।

কি ভাবে বানাবেন সুজির চমচম ?




প্রণালি :- প্রথমে খোয়াক্ষীর গ্রেড করে, হাত দিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে।
এরপর মিষ্টি বানানোর জন্য সুজির মণ্ড তৈরি করতে হবে। তাই গ্যাস অন করে কড়া বসিয়ে দিতে হবে। কড়াতে দিয়ে দিতে হবে দুধ। দু'কাপ দুধ ই কড়াতে দিতে হবে।
দিয়ে দিতে হবে ১ টেবিল চামচ চিনি।
এরপর দুধ গরম করে নিতে হবে।
দুধ গরম হলে এরমধ্যে দিয়ে দিতে হবে নুন। মিষ্টি জিনিসে নুন কিন্তু খুবই কম লাগে।
দিয়ে দিতে হবে বেকিং সোডা। বেকিং সোডাও কিন্তু খুবই সামান্য দিতে হবে। বেশি দিলে চমচম ফেটে যেতে পারে। সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর দিতে হবে সুজি। সুজি কিন্তু ভেজে দেবেন না। কাঁচা সুজিই দিতে হবে।
সুজি দেওয়ার পর নাড়তে হবে, না হলে সুজি ঢেলা পাকিয়ে যেতে পারে।
আর এটা হতে দিতে হবে যতোক্ষণ না সব দুধ মরে গিয়ে সুজি শুকনো শুকনো হয়। এটা বানাতে বেশি সময় লাগে না।
সুজি শুকনো শুকনো হয়। যেমন আমরা রুটি করার জন্য আটা মাখি ওর মতো হলেই হবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ টেবিল চামচ এর মতো গুঁড়ো করা খোয়াক্ষীর।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে আর নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে। এবার এটা হালকা ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
এ সময় বানিয়ে নিতে হবে চিনির সিরা। তাই পাত্রের মধ্যে নিতে হবে চিনি আর জল। ১ কাপ চিনির জন্য ২ কাপ জল নিতে হবে। এলাচ ২ টো ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে। চিনির সিরা বানাতে বেশি সময় লাগেনা। সব চিনি গলে গেলেই নামিয়ে নিতে হবে। আসলে চিনির সিরা গাঢ় হবে না।
চিনির সিরা তৈরি হলে নামিয়ে নিতে হবে।
হালকা গরম থাকতে থাকতেই সুজি ভালোভাবে মাখতে হবে। সুজিতে দিতে হবে ঘি আর ডিম টা ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে। এবার সব উপকরণ খুব ভালোভাবে মাখতে হবে। দরকার পরলে এক বার হাত ধুয়ে নেবেন। আর হাতে সামান্য ঘি লাগিয়ে নিয়ে এটা মাখতে পারেন। তাহলে সুজি মাখতে সুবিধা হবে।
চমচম বানানোর জন্য সুজি মাখা থেকে অল্প নিতে হবে। হালকা হাতে খুব ভালোভাবে গোল করে লম্বাটে করতে হবে। এসময় হাতে সামান্য ঘি লাগিয়ে নিতে পারেন।
এই ভাবে সব চমচম বানিয়ে নিতে হবে।
চমচম ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে। তেল খুব ভালো ভাবে গরম হলে আঁচ কমিয়ে দিতে হবে।
এক এক করে দিয়ে দিতে হবে চমচম। গরম তেল তাই সাবধানে দিতে হবে। আস্তে আস্তে উল্টে পাল্টে লাল করে ভাজতে হবে। এটা কিন্তু আঁচ কমিয়ে ভাজবেন, তা হলে ভেতরটা ভালোভাবে ভাজা হবে। এটা ভাজতে একটু বেশি সময় লাগে।
চমচম ভাজা হলে তুলে নিতে হবে তেল ঝড়িয়ে আর দিয়ে দিতে হবে চিনির সিরাতে।
বাকী চমচম একি ভাবে ভেজে চিনির সিরাতে দিয়ে দিতে হবে।
চিনির সিরাতে কিন্তু ৩ -৪ ঘণ্টা রাখতে হবে, তাহলে চমচম এর ভেতর চিনির সিরা ঢোকে চমচম নরম হয়ে যাবে।
৪ ঘণ্টা পর আপনারা চাইলে চিনির সিরা থেকে তুলেই পরিবেশন করতে পারেন। কিন্তু এটা আরও খেতে ভালোলাগে, যদি চমচম চিনির সিরা থেকে তুলে নিয়ে, সামান্য খোয়াক্ষীর লাগিয়ে নেওয়া যায়।
একি ভাবে সব চমচম চিনির সিরা থেকে তুলে খোয়াক্ষীর লাগিয়ে নিতে হবে।
এতে চমচম যেমন দেখতে ভালো হয়, তেমনি খেতেও ভালো লাগে।
বিস্তারিত পড়ুন

গুলাব জামুন রেসিপিঃ বাড়িতে বানান খুব সহজে গুলাব জামুন বা পানতুয়া

গুলাব জামুন রেসিপিঃ বাড়িতে বানান খুব সহজে গুলাব জামুন বা পানতুয়া

বাড়িতে বানান খুব সহজে গুলাব জামুন বা পানতুয়া 

gulab-jamun-pantua-recipe-at-home-bengali-sweets

উপকরণ :- 
  • খোওয়া ১০০ গ্রাম, 
  • ১ চিমটি খাবার সোডা, 
  • কর্ণফ্লাওয়ার ১৫ গ্রাম, 
  •  ময়দা ৪০ গ্রাম, 
  • চিনি ১ কাপ, 
  • জল ১ কাপ, 
  • ২ টো এলাচ থেঁতো, 
  • লেবুর রস ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, 
  • সাদা তেল গুলাব জামুন ভাজার জন্য আর লাগছে বরফ ঠান্ডা জল। 
gulab-jamun-pantua-recipe-at-home-bengali-sweets

আমার অন্যান্য প্রিয় রেসিপিঃ

কিভাবে বানাবেন গুলাব জামুন বা পানতুয়া?




প্রণালি :- আমি ১৪-১৫ গুলাব জামুন বানাবো। আর আপনারা যদি বেশি বানাতে চান ১০০ গ্রাম খোয়ার জায়গায় ২০০ গ্রাম কর্ণফ্লাওয়ার ৩০ গ্রাম আর ময়দা ৮০ গ্রাম এই আনুপাতে নিতে হবে। পানতুয়া বানানোর জন্য প্রথমে চিনির সিরা বানাতে হবে তাই একটি পাত্রে চিনি আর জল দিয়ে গ্যাস ওভেনে বসিয়ে দিতে হবে। চিনি না গোলা পর্যন্ত একটি হাতা দিয়ে নাড়তে হবে। আর ওতে দিতে হবে এলাচ। গুলাব জামুনের সিরা বানাতে বেশি সময় লাগেনা। চিনি গুলে গেলে একটু পরেই নামিয়ে নিতে হয়। চিনির সিরা তৈরি হয়ে গেলে গ্যাস ওভেন থেকে নামিয়ে নিয়ে ওতে দিতে হবে লেবুর রস। লেবুর রস দিলে চিনির সিরা ঠান্ডা হলে বসে যাবে না আর গুলাব জামুন খেতে ভালো হয়। এরপর খোয়া গ্রেড করে নিতে হবে। যদি খোয়া বাজার থেকে কেনা হয় তাহলে গ্রেড করতে হয়। আর যদি আপনারা বাড়িতে খোয়া বানান সেক্ষেত্রে গ্রেড করার দরকার নেই। বাড়িতে বনানো খোয়া নরম হয়। এরপরে গ্রেড করা খোয়ায় দিতে হবে কনরফ্লাওয়ার আর ময়দা। খোয়ার সাথে এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ভালো ভাবে মেশানোর পর এর মাঝখানে গরত করে ওতে দিতে হবে এক চিমটি খাবার সোডা। খাবার সোডা দেবার পর অল্প জল দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে এবার মাখাতে হবে খোয়া ময়দার মিশ্রন। তবে বরফ থান্ডা জল দিয়ে। বরফ ঠান্ডা জল আসলে একটা বোতলে জল ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে। বরফ জমে যাবে। আর ওরই জল দিয়ে এটা মাখতে হবে। তবে অল্প অল্প জল দিয়ে মাখতে হবে। এমন ভাবে মাখতে হবে যাতে মাখাটা পাতলা বা শক্ত না হয়ে যায়। শক্ত হলে গুলাব জামুন ভালো ভাবে গোল করা যাবে না ফেটে যেতে পারে। মাখাটা যতো ভালো করে মাখবেন গুলাব জামুন ফাটার সম্ভাবনা ততো কম। এরপর মাখাটাকে হাত দিয়ে লম্বা করে নিতে হবে আর ছুরি দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে। এক একটা ভাগ নিয়ে হাতের সাহায্যে ভালোভাবে গোল করতে হবে। এমন ভাবে গোল করতে হবে যেনো কোন ফাটার দাগ না থাকে। দাগ থাকলে ভাজবার সময় ফেটে যেতে পারে। একি ভাবে সব বানিয়ে নিতে হবে। ভাজবার জন্য প্যান গরম করে তেল দিতে হবে। তেল বেশি গরম করার দরকার নেই। মাঝারি গরম হলে কাঁচা গুলাব জামুন গুলো এক এক করে সব দিয়ে দিতে হবে। গুলাব জামুন সবসময় বেশি তেলে ভাজতে হয়। তেলে দেবার কিছুক্ষণ পর গুলাব জামুন তেলের উপরে ভেষে উঠবে তখন আঁচ পুরো কমিয়ে দিয়ে ভাজতে হবে। গুলাব জামুন পুরটাই ভাজতে হবে হালকা আঁচে। যতো সময় দেবেন ভেতর টা তত নরম হবে। আর একটা কথা মনে রাখবেন ভাজবার সময় সবসময় হাতা দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। লালচে ভাজা হয়ে গেলেই তুলে নিয়ে চিনির সিরার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। চিনির সিররার মধ্যে ডুবিয়ে রাখতে হবে ১ ঘণ্টা। তারপর পরিবেশন করুন পানতুয়া বা গুলাব জামুন।
বিস্তারিত পড়ুন

চিঁড়ের মোয়া বা চিঁড়ের লাড্ডু

চিঁড়ের মোয়া বা চিঁড়ের লাড্ডু

 চিঁড়ের মোয়া 

chirer-moya-laddu

উপকরণ:-

  • চিঁড়ে 2 কাপ,
  • গুড় ১কাপ,
  • চিনা বাদাম ১/২ কাপ,
  • ঘি ১চামচ,
  • সামান্য লবণ আর 
  • সরষের তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 


কিভাবে বানাবেন চিঁড়ের মোয়া বা চিঁড়ের লাড্ডু?

প্রণালী:- কড়াই তে সামান্য লবন আর তেল দিয়ে চিনাবাদাম ভালো ভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে। এরপর ১ চামচ ঘি দিয়ে ২ কাপ চিঁড়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর নামিয়ে নিতে হবে। চিনা বাদাম ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে ২ ভাগ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই তে গুড় দিয়ে গরম করতে হবে। যদি পাটালী গুড় হয় তাহলে কড়াই তে ১ কাপ জল দিয়ে ১০০ গ্রাম এর মতো গুড় দিয়ে গরম করতে হবে। ৪ ভাগের ১ ভাগ হয়ে এলেই গুড়, ভেজে রাখা চিঁড়ে আর চিনা বাদাম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর কড়াই থেকে গুড় মাখানো চিঁড়ে বাদাম একটি পাত্রে নামিয়ে নিতে হবে। গরম থাকতে থাকতেই হাতের সাহায্যে ছোট ছোটো মোয়া বানিয়ে নিতে হবে। খুব সহজেই তৈরি চিঁড়ের মোয়া।

বিস্তারিত পড়ুন