ডালের বড়া তৈরির সহজ রেসিপি । বেঙ্গলি রেসিপি

ডালের বড়া তৈরির সহজ রেসিপি । বেঙ্গলি রেসিপি

ডালের বড়া

মুসুর ডালের বড়া প্রায় সব বাড়িতেই কম বা বেশি বানানো হয়ে থাকে। কিন্তু আজ আমি মুসুর ডাল আর ছোলার ডাল দিয়ে বানিয়ে দেখাবো। অন্য স্বাদের একটা রেসিপি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে। আমার এই  ডালের বড়ার রেসিপি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জানাতে পারেন, আর পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Daler-bora-Bengali-Recipe

উপকরণঃ- ১ কাপ ছোলার ডাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে, ১ কাপ মুসুরির ডাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে ( এই দু'ধরনের ডাল মানে মুসুর ডাল আর ছোলার ডাল ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলেই হয়), ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, আদা - রুসুন ছেঁচা ১ চামচ, ২ টো কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে লাগছে ১ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, গোটা জিরা সামান্য, কালোজিরা সামান্য আর লাগছে ভাজবার জন্য সরষের তেল ।।

কি ভাবে বানাবেন ডালের বড়া ? 



প্রণালিঃ- প্রথমে এই দুই ধরনের ডাল মানে মুসুর ডাল আর ছোলার ডাল খুব ভালোভাবে মিক্সিতে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে, তবে শিলে বাটলেও হবে।
এরপর ডাল বাটা একটা পাত্রে ঢেলে নিতে হবে। আর ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার ডাল বাটা খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। যতো ভালোভাবে ফেটানো হবে বড়ার বাইরে টা মচমচে আর ভেতরটা নরম হবে।
ডাল ফেটানো হয়ে গেলে ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে লঙ্কা - হলুদ গুঁড়ো, গোটা জিরা, কালোজিরা, পেঁয়াজ কুঁচি, আদা - রুসুন ছেঁচা আর কাঁচা লঙ্কা কুঁচি।
আবার হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
ডালের বড়া ভাজবার জন্য পাত্র গরম করে তেল দিতে হবে, একটু বেশি করেই তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে ডালের মিশ্রন থেকে অল্প অল্প নিয়ে দিয়ে দিতে হবে। তবে বড়া গুলো গোল গোল না বানিয়ে হাতের সাহায্যে একটু চ্যাপ্টা করে দিতে হবে।
একপিঠ হয়ে গেলে উল্টে দিতে হবে।
দুপিঠই হয়ে গেলে আবার উল্টে পাল্টে লালচে করে ভেজে নিতে হবে ।
ভাজা হলে বড়া তুলে নিতে হবে। একিভাবে সব বড়া ভেজে নিন।
এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন মচমচে ডালের বড়া।।
বিস্তারিত পড়ুন

ব্রকলি পনির - বেঙ্গলি রেসিপি / Bengali Recipes

ব্রকলি পনির - বেঙ্গলি রেসিপি / Bengali Recipes

ব্রকলি পনির রেসিপি

ব্রকলি পনির  রান্না করা খুবই সহজ আর এটা বানাতে সময় খুবই কম লাগে। এটি সম্পূর্ণ অন্য ধরনের একটি রান্না। সময় পেলে একবার বানিয়ে দেখতে পারেন এই ব্রকলি পনির। টা হলে দেরি না করে ঝটপট লিখে নিন আমার এই রেসিপি আর বানিয়ে ফেলুন। আমার এই রেসিপি যদি ভাললাগে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জনাতে পারেন। পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।।

উপকরণঃ- ১ টা ছোট ব্রকলি মাঝারি মাপ করে কেটে নিতে হবে, ২০০ গ্রাম পনির ( পনির মাঝারি মাপ করে চৌক চৌক করে কেটে নিতে হবে ), ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, ১ টা সেদ্ধ আলু ৮ ভাগ করে নিতে হবে, ১ টা টম্যাটো কুঁচি, আদা - রুসুন ছেঁচা ১ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, গোটা জিরা আর গোটা মৌরি দু' টো মিলিয়ে ১/৪ চামচ, সাদা তেল, হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোলমরিচ এর গুঁড়ো সামান্য আর লাগছে ধনে গুঁড়ো ১/৪ চামচ।।

কি ভাবে বানাবেন এই ব্রকলি পনির রেসিপি? 


প্রণালিঃ- ব্রকলি পনির বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে গোটা জিরা আর মৌরি।
মৌরি আর পেঁয়াজ ভাজা ভাজা হলে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।
পেঁয়াজ অর্ধেক ভাজা হলে আদা - রুসুন ছেঁচা দিয়ে দিতে হবে।
এবার পেঁয়াজ আর আদা - রুসুন ছেঁচা ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
এরপর ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে - ব্রকলি, টম্যাটো কুঁচি, সেদ্ধ করা আলু, পনির এর টুকরো , লঙ্কা - হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, গোলমরিচ গুঁড়ো আর দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার এই সব উপকরণ খুব ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
এরপর সামান্য জল দিতে হবে। এই রান্নাতে কিন্তু খুব বেশি জলের দরকার নেই।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ২০ মিনিট, তবে আঁচটা কমিয়ে দিতে হবে। কিন্তু মাঝে একবার ঢাকা খুলে সব উপকরণ নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
২০ মিনিট পর নামিয়ে নিন ব্রকলি পনির।।
বিস্তারিত পড়ুন

আমের পায়েস - সহজেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু আমের পায়েস

আমের পায়েস - সহজেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু আমের পায়েস

আমের পায়েস রেসিপি 

আমের পায়েস, বানিয়ে ফেলুন মাত্র কয়েকটা উপকরণ দিয়ে। আমের পায়েসের মূল উপকরন  হল আম। আর এখন তো গরম কাল। হাতের কাছে আম পাওয়া যায়। পায়েস নানা ধরনের হয়ে থাকে আর স্বাদ ও নানা ধরনের। তবে আমের পায়েস স্বাদ পুরোটাই আলাদা। টা হলে দেরি না করে লিখে নিন রেসিপি আর বানিয়ে ফেলুন এই আমের পায়েস।।

Aamer-payesh-Bengali-Recipe

উপকরণঃ- ১ কাপ সেমাই বা সিমুই, ঘি ১ চামচ, কিছু কাজুবাদাম কুঁচি, থেঁতো করা এলাচ ৫ টি, দুধ ১ লিটার, ১ টা আম ( আম এর খোসা আর বীজ ফেলে দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে ) আর লাগছে চিনি ১/২ কাপ।।

কি ভাবে বানাবেন এই আমের পায়েস? 


প্রণালিঃ- প্রথমে আমের টুকরো গুলো মিক্সি তে খুব ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। আমের পেস্ট নিতে হবে ১ কাপ। কারণ এখানে আমের পায়েস বানানোর জন্য ১ কাপ আমের পেস্ট লাগবে।
আমের পায়েস বানানোর জন্য কড়াই গরম করে ঘি দিতে হবে।
ঘি গলে গেলে সিমুই আর কাজু বাদাম কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।
এবার ঘি এ কাজু আর সিমুই ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। সিমুই কিন্তু একটু লালচে করে ভাজতে হবে।
সিমুই ভাজা হলে দুধ দিয়ে দিতে হবে । আর দিয়ে দিতে হবে থেঁতো করা এলাচ।
এরপর এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। এখন কিন্তু চিনি দিলে সিমুই সেদ্ধ হবে না। এটা তবে মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করতে হবে। না হলে নীচে লেগে যাওয়ার ভয় থাকে।
৫ মিনিট এ যখন সিমুই সেদ্ধ হয়ে যাবে , চিনি দিয়ে দিতে হবে। আপনারা চাইলে চিনি অবশ্যই কম বা বেশি দিতে পারেন।
আবার এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। যাতে দুধ বেশ কিছুটা কমে যায়। তবে মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করতে হবে, না হলে নীচে লেগে যেতে পারে।
পায়েস খুব গাঢ না বানিয়ে পাতলা বানাতে হবে। কারণ পায়েস ঠাণ্ডা হলে বসে যায়।
৫ মিনিট পর পায়েস নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে আর বেশ ঠাণ্ডা করে নিতে হবে।
সিমুই ঠাণ্ডা হলে আমের পেস্ট দিয়ে দিতে হবে। গরম পায়েসের মধ্যে আমের পেস্ট দিলে দুধ কেটে যাওয়ার ভয় থাকে। কারণ আম টক হয়। তাই বলছি পায়েস যখন প্রায় ঠাণ্ডা হয়ে আসবে তখনই আমের পেস্ট দেবেন।
সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেলো আমের পায়েস।
বিস্তারিত পড়ুন

চিংড়ি ভুনা - কি ভাবে বানাবেন চিংড়ি মাছ ভুনা ।। Bengali Recipe।।

চিংড়ি ভুনা - কি ভাবে বানাবেন চিংড়ি মাছ ভুনা ।। Bengali Recipe।।

চিংড়ি ভুনা

চিংড়ি ভুনা খেতে কিন্তু অসাধারণ। সমস্ত মশালা বেশ ভালোভাবে কষিয়ে কষিয়ে রান্না । চিংড়ি ভুনা আপনারা চাইলে ছোট চিংড়ি, বড়ো চিংড়ি বা মাঝারি মাপের চিংড়ি দিয়ে বানাতে পারেন। আপনারা চাইলে এই চিংড়ি মাছের ভুনা ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করতে পারেন। এই রেসিপি টা বানাতে  অবশ্যই চিংড়ি মাছের খোসা ফেলে রান্না করবেন। এতে কিন্তু ভুনা চিংড়ির স্বাদ অনেকটাই বেড়ে যায় । তা হলে লিখে নিন রেসিপি, আর চটজলদি বানিয়ে ফেলুন। আমার এই রেসিপি যদি ভালো লাগে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জানাবেন, পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।।
Chingri-Bhuna-Bengali-Recipe

উপকরনঃ- চিংড়ি ভুনা বানানোর জন্য লাগছে ২০০ গ্রাম চিংড়ি মাছ ( চিংড়ি মাছের মাথা আর খোসা ফেলে দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে ), লাগছে ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, আরও একটা পেঁয়াজ একটু বড় করে কাটতে হবে কারণ এটা পেস্ট বানানো হবে, লাগছে ১ টা টম্যাটো কুঁচি, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, লাগছে আদা - রুসুন ( আদা - রুসুন বাটলে যেন ১ চামচ হয় সেই মতো আদা রুসুন নিতে হবে ), ১ টা কাঁচা লঙ্কা, ৬ টি গোলমরিচ, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ ( তবে চিংড়ি মাছে হলুদ মাখানোর জন্য আলাদা হলুদ নিতে হবে ), লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোটা ধনে আর গোটা জিরা দু' টো মিলিয়ে লাগছে ১ চামচ, গোটা মৌরি ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে ধনেপাতা কুচি ( আপনারা যদি ধনেপাতা খেতে পছন্দ না করেন বা হাতের কাছে যদি ধনেপাতা না থাকে, তাহলে ধনেপাতা কিন্তু না দিয়েও এটা বানাতে পারেন )।।

কি ভাবে বানাবেন চিংড়ি ভুনা ? 

 

প্রণালিঃ- প্রথমে বেশ কিছু উপকরণ পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। মিক্সির জারের মধ্যে নিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি ( যে পেঁয়াজ টা বড়ো বড়ো করে কাটা ছিল ), নিতে হবে টম্যাটো কুঁচি, গোটা ধনে আর জিরা, গোটা মৌরি, কাঁচা লঙ্কা, গোলমরিচ আর আদা - রুসুন।
এবার এই সব উপকরণ খুব ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
এরপর চিংড়ি মাছে পরিমাণ মতো নুন আর হলুদ মাখিয়ে নিতে হবে।
চিংড়ি ভুনা বানানোর জন্য কড়াই গরম করে সামান্য তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে নুন হলুদ মাখানো চিংড়ি মাছ গুলো দিয়ে দিতে হবে। চিংড়ি মাছ গুলো ভাজতে হবে তবে খুব বেশি ভাজলে চিংড়ি মাছ শক্ত হয়ে যেতে পারে, তাই খুব বেশি ভাজবার দরকার নেই।
চিংড়ি মাছ ভাজা হলে নিমিয়ে নিতে হবে, তবে কড়াই তে যে খুবই সামান্য তেল থাকবে ওটা সহ নামিয়ে নিতে হবে।
আবার কড়াই তে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে কুচানো পেঁয়াজ দিয়ে দিতে হবে।
পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা হলে মশলার যে পেস্ট , যেটা রান্নার আগে বানানো হল সেটা দিয়ে দিতে হবে। দিয়ে দিতে হবে লঙ্কা - হলুদ গুঁড়ো আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
যেহেতু এটা চিংড়ি ভুনা, তাই মশলা খুব ভালোভাবে কষাতে হবে। মশলা কষানোর ওপর কিন্তু পুরটাই নির্ভর করে রান্নার স্বাদ।
মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে ভেজে রাখা চিংড়ি মাছ গুলো দিয়ে দিতে হবে।
আবার মশলার সাথে চিংড়ি মাছ একটু কষিয়ে নিতে হবে।
এরপর এর মধ্যে অল্প জল দিতে হবে । এই রান্না তে কিন্তু খুব বেশি জলের দরকার হয় না।
আগে নুন দেওয়া ছিল, তবু যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে তা হলে এসময় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, তবে আঁচ টা কমিয়ে দিতে হবে।
১০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। ছড়িয়ে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেলো চিংড়ি ভুনা।।
বিস্তারিত পড়ুন

পেঁয়াজ পোস্ত | Bengali peyaj posto Recipe ||

পেঁয়াজ পোস্ত | Bengali peyaj posto Recipe ||

পেঁয়াজ পোস্ত রেসিপি

পেঁয়াজ পোস্ত, খুবই সহজ এবং সুস্বাদু রেসিপি। আমরা বঙ্গালীরা পোস্তর যে কোন রেসিপি খেতে ভালোবাসি  - যেমন ধরুন পেঁয়াজ পোস্ত, আলু পোস্ত, ঝিঙে পোস্ত বা ধরুন পটল পোস্ত । তবে সব ধরনের রেসিপির স্বাদ কিন্তু নানা ধরনের হয়ে থাকে। আজ আমি পেঁয়াজ পোস্ত বানিয়ে দেখাব। গরম ভাতের সাথে এটা পরিবেশন করতে হয়। তাহলে দেরি না করে ঝটপট লিখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে ফেলুন জনপ্রিয় এই পেঁয়াজ পোস্ত রেসিপি।।

Bengali-peyaj-posto-recipe

উপকরণঃ- পেঁয়াজ পোস্ত বানানোর জন্য লাগছে ছোট কাপের এক কাপ পোস্ত ( পোস্ত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে, যাতে খুব ভালোভাবে পেস্ট বানানো যায়। তবে পোস্ত ভিজিয়ে রাখতে হবে রান্নার ১৫ মিনিট আগে ), লাগছে ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টেবিল চামচ সরষের তেল, হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ, ৩ টি কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর লাগছে নুন পরিমাণ মতো।।

কি ভাবে বানাবেন এই পেঁয়াজ পোস্ত?


প্রণালিঃ- প্রথমে জলে ভেজানো পোস্ত, মিক্সি বা শিলে বেটে নিতে হবে।
পেঁয়াজ পোস্ত বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।
এবার পেঁয়াজ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
পেঁয়াজ ভাজা হলে কাঁচা লঙ্কা কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।
কাঁচা লঙ্কা পেঁয়াজের সাথে সামান্য নাড়াচাড়া করে পোস্ত বাটা, হলুদ গুঁড়ো আর পরিমাণ মতো নুন দিয়ে দিতে হবে। দিয়ে দিতে হলে কাঁচা সরষের তেল।
এবার পোস্ত ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
পোস্ত ভালো ভাবে ভাজা হলে নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলো পেঁয়াজ পোস্ত।।
পেঁয়াজ পোস্ত অবশ্যই গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করবেন।।


বিস্তারিত পড়ুন

শুক্ত || শুক্ত রান্নার রেসিপি ||

শুক্ত || শুক্ত রান্নার রেসিপি ||

শুক্ত রান্না

শুক্ত রান্নার সাথে আমরা ছোট থেকেই পরিচিত। কারণ ভাত খাবার সময় এটা আমরা প্রায় খেয়েছি। বাড়িতে মা - ঠাকুমাকে বানাতে দেখতাম। তাছাড়া যে কোন অনুষ্ঠানে হয়ে থাকে। শুক্ত বানানো কিন্তু খুবই সহজ। নানা রকম সব্জি দিয়ে বানানো হয়ে থাকে তাছাড়া এই রেসিপি টা কোন লঙ্কা ছাড়ায় কিন্তু বানানো হয়। শুক্ত বানানোর উপকরণ লিখে নিন ঝটপট আর বানিয়ে ফেলুন। আমার এই রেসিপি যদি ভালো লাগে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জানাতে পারেন, পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Shukto-Bengali-Recipe

উপকরণঃ- শুক্ত বানানোর জন্য লাগছে করলা, সিম, বেগুন, আলু, কাঁচাকলা আর সজনে ডাঁটা ( এই সব সব্জি একসাথে মিলিয়ে আমি নিয়েছি ৫০০ গ্রাম, তবে সব সব্জি যেন একসাথে সেদ্ধ হয় সেই মতো সব সব্জি কেটে নিয়ে ধুয়ে নিতে হবে), লাগছে বড়ি, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, দুধ ১ কাপ, ঘি ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, সরষে বাটা ১ চামচ, পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ১ চামচ ( গোটা পাঁচফোড়ন কে শুকনো কড়াই তে ভেগে গুঁড়ো করে নিতে হবে ) আর লাগছে তেজপাতা ১ টা।।

কি ভাবে বানাবেন এই শুক্ত ? 


প্রণালিঃ- শুক্ত বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে বড়ি গুলো ভেজে তুলে নিতে হবে।
ওই তেলেই মধ্যেই এক এক করে করলা আর সিম ভেজে তুলে নিতে হবে।
এবার তেলের মধ্যে তেজপাতা ফোড়ন দিতে হবে।
এরপর আলুর টুকরো গুলো দিয়ে দিতে হবে। আলু বেশ নাড়াচাড়া করতে হবে।
আলু যখন অর্ধেক ভাজা ভাজা হবে ওর মধ্যে কাঁচা কলার টুকরো গুলো দিয়ে দিতে হবে।
এবার আলু আর কাঁচা কলা খুব ভালভাবে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
এরপর বেগুন আর সজনে ডাঁটা দিয়ে দিতে হবে। সজনে ডাঁটা আর বেগুন সামান্য নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
এবার দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো আর দিয়ে দিতে হবে ভেজে তুলে রাখা করলা।
সব উপকরণ এক দু'বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করে জল দিয়ে দিতে হবে। সব উপকরণ যেন প্রায় ডুবে থাকে সেই মতো জল দিতে হবে।
এসময়য় পরিমাণ মতো নুন দিয়ে দিতে হবে।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট তবে আঁচ টা কমিয়ে দিতে হবে।
১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে দেখে নিতে হবে আলু সেদ্ধ হয়েছে কিনা।
এরপর দিয়ে দিতে হবে দুধ আর ভেজে রাখা বড়ি। এবার এটা হতে দিতে হবে ২ মিনিট এর মতো তবে আঁচ কিন্তু কমানোই থাকবে।
২ মিনিট পর সরষে বাটা দিয়ে দিতে হবে। আরও এটা হতে দিতে হবে ১ মিনিট।
নামানোর আগে ঘি আর পাঁচফোড়ন গুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেল শুক্ত।।
বিস্তারিত পড়ুন

চাল পটল || Bengali chal potol recipe ||

চাল পটল || Bengali chal potol recipe ||

চাল পটল রেসিপি

চাল পটল হল নিরামিষ একটা রেসিপি। এটা আপনারা ভাতের সাথে পরিবেশন করতে পারেন, বা এমনিও খেতে পারেন। চাল পটল বানিয়ে বাড়ির সবার মন জয় করে নিতে পারবেন খুব সহজেই। এখন তো গরম কাল , আর এ সময় পটল পাওয়া যায় বাজারে। তাই বলছি পটল দিয়ে একি রকম পদ রোজ রোজ না বানিয়ে, অন্য রকম পদ এক বার বানিয়ে দেখতে পারেন। আজ আমি চাল পটল বানাবো, আর দেরি না করে ঝটপট লিখে নিন রেসিপি। চাল পটল বানাতে কিন্তু খুব বেশি উপকরণ লাগেনা। তাছাড়া হাতের কাছে পাওয়া যায় সেই সব উপকরণ দিয়েই কিন্তু এই রেসিপি টা বানানো হয়ে যায়।

 Bengali-chal-potol-recipe

উপকরণ :- গোবিন্দ ভোগ চাল ৫০ ( চাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে রান্নার ১৫ মিনিট আগে ), ৪০০ গ্রাম পটল মানে ১০ টার মতো পটল ধুয়ে মাঝে মাঝে খোসা ফেলে দিয়ে দু'ভাগ করে নিতে হবে, ১ টা আলুর খোসা ফেলে দিয়ে ৪ ভাগ করে নিতে হবে ( আলু আর পটল যেন এক সাথে সেদ্ধ হয় সেই মতো আলু কাটতে হবে ), আদা বাটা ১ চামচ,
১ টা টম্যাটো কুঁচি , নুন পরিমাণ মতো,
চিনি সামান্য ( যদি খাবারে আপনারা নুন পছন্দ না করেন তা হলে নুন দেওয়ার দরকার নেই ), লঙ্কা গুড়ো ১ চামচ ( আপনারা চাইলে অবশ্যই লঙ্কা গুড়ো টা ঝাল বুঝে দিতে পারেন ), হলুদ গুড়ো ১/২ চামচ, হিং সামান্য, জিরা গুঁড়ো আর ধনে গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে আমি নিয়েছি ১ চামচ, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, জায়ফল গুঁড়ো সামান্য ( জায়ফল গুঁড়ো কিন্তু বেশি দিলে তেতো লাগতে পারে ), ২ টো কাঁচা লঙ্কা চেরা , ৪ টি এলাচ, ৬ টি লবঙ্গ, এক টুকরো দারচিনি, ৫ টি গোলমরিচ, ২ টো তেজপাতা আর লাগছে ঘি ১ চামচ।।

কি ভাবে বানাবেন এই চাল পটল ? 

প্রণালিঃ- চাল পটল বানানোর জন্য প্রথমে কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে পটল আর আলু দিয়ে দিতে হবে। এরপর আলু আর পটল ভালভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে।
এবার ওই তেলের মধ্যেই ফোড়ন দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি, গোলমরিচ, তেজপাতা আর হিং। এচাল কিন্তু ফাটিয়ে তবেই তেলে দিতে হবে, কারন গোটা এলাচ তেলে দিলে তেল ছিটকাতে পারে। এমনিতেও গোটা মশলা তেলে দিলে তেল ছিটকাই তাই সাবধানে সামান্য নাড়াচাড়া করে নিতে হবে এতে গন্ধটা ভালো আসে।
এরপর এক এক করে সব উপকরণ দিয়ে দিতে হবে যেমন টম্যাটো কুঁচি , আদাবাটা, ধনে - জিরা গুঁড়ো , লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন। এসময় নুন দিলে টম্যাটো সেদ্ধ হয়ে যাবে।
এবার সব উপকরণ নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। এরপর এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট তবে আঁচ কমিয়ে যাতে টম্যাটো সেদ্ধ হয়ে মশলার সাথে মিশে যায়।
টম্যাটো সেদ্ধ হয়ে মশলার সাথে মিশে গেলে ওর জল ঝরানো গোবিন্দ ভোগ চাল দিয়ে দিতে হবে। আর দিয়ে দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা চেরা , সামান্য চিনি আর ভেজে রাখা আলু - পটল।
এরপর এই সব উপকরণ ভালভাবে কষিয়ে নিতে হবে । তবে তার আগে আঁচ টা কমানো ছিল বাড়িয়ে দিতে হবে।
সব উপকরণ ভালভাবে কষানো হয়ে গেলে জল দিয়ে দিতে হবে। সব উপকরণ যেন প্রায় ডুবে থাকে সেই মতো জল দিতে হবে। আগে নুন দেওয়া ছিল তবে যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে তা হলে এসময়য় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট তবে আঁচটা আবার কমিয়ে দিতে হবে।
২০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। ওর মধ্যে ঘি আর জায়ফল গুঁড়ো দিয়ে দিতে হবে।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেল চাল পটল।।



বিস্তারিত পড়ুন