Showing posts with label বেঙ্গলি রেসিপি. Show all posts
Showing posts with label বেঙ্গলি রেসিপি. Show all posts

ছাতুর পরোটা : কি ভাবে বানাবেন এই ছাতুর পরোটা রেসিপি

ছাতুর পরোটা : কি ভাবে বানাবেন এই ছাতুর পরোটা রেসিপি

ছাতুর পরোটা

 ছাতুর পরোটা এটি একটি টিফিন রেসিপি। খুব কম সময়ে এটা বানানো হয়ে যায়। এই ছাতুর পরোটা আলুর দম এর সাথে পরিবেশন করতে পারেন। তা হলে দেখে নিন এই ছাতুর পরোটা  বানাতে কি কি লাগছে।

Chatur-Paratha-Bengali-Recipe

 উপকরনঃ-
ময়দা ২ কাপ
ছোলার ছাতু ১ কাপ
আদা বাটা ১/৪ চামচ ( আপনারা যদি রুসুন পছন্দ করেন, তা হলে শুধু আদা বাটার বদলে আদা রুসুন বাটা দিতে পারেন)
পেঁয়াজ কুঁচি ১
ধনেপাতা কুঁচি
কাঁচা লঙ্কা কুঁচি ২ (
পেঁয়াজ, ধনেপাতা আর কাঁচা লঙ্কা কিন্তু কাটতে হবে খুবই ছোট ছোট করে )
নুন পরিমাণ মতো
লেবুর রস ২ চামচ ( আপনাদের কাছে যদি আমচুর পাউডার থাকে, তা হলে লেবুর রস এর বদলে আমচুর পাউডার দিতে পারেন ১ চামচ )
জিরা গুঁড়ো ১/৪ চামচ
গরম মশলা গুঁড়ো ১/৪ চামচ
চিনি ১/৪ চামচ
আর লাগছে তেল ( সাদা তেল বা সরষের তেল ব্যাবহার করতে পারেন ) ।।

কি ভাবে বানাবেন এই ছাতুর পরোটা?



প্রনালিঃ-
প্রথমে ময়দা টা মেখে নিতে হবে। তাই ময়দার মধ্যে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন আর দিতে হবে ২ চামচ তেল। হাত দিয়ে ময়দাতে নুন আর তেলটা মিশিয়ে নিতে হবে।
এবার পরিমাণ মতো জল দিয়ে ময়দা টা ভালো ভাবে মেখে নিতে হবে।
ময়দা ভালোভাবে মাখা হলে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে, কারন এ সময় পরোটার যে পুর সেটা বানিয়ে নিতে হবে।
পরোটার পুর বানানোর জন্য একটা পাত্রে ছোলার ছাতু টা নিয়ে নিতে হবে।
এরপর এর মধ্যে এক এক করে সব উপকরণ দিয়ে দিতে হবে, দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, জিরা গুঁড়ো, গরম মাসালা গুঁড়ো, চিনি, ধনেপাতা কুঁচি, লেবুর রস, আদা বাটা, পরিমাণ মতো নুন আর দিতে হবে ১ চামচ তেল।
এবার সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর ওর মধ্যে দিতে হবে মাত্র ২ চামচ জল। জল কিন্তু বেশি দিয়ে ছাতুটা কাদা কাদা হয়ে যাবে। তাই বলছি ২ চামচ এর বেশি জল দেবেন না।
এখন এই সব উপকরণ খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
এবার পরোটা বানানোর পালা। ময়দা থেকে লেচি কেটে নিতে হবে। একটা লেচি নিয়ে প্রথমে গোল করে একটু চ্যাপ্টা করে নিতে হবে। এরপর ভেতরে পুর দেওয়ার জন্য গোল বাটির মতো করে বানাতে হবে। গর্তের মধ্যে ছাতুর পুর ভরে দিতে হবে। পুর যাতে বেরিয়ে না যায়, তাই চারদিক থেকে ময়দা নিয়ে এসে ঢেকে দিতে হবে।
এরপর সামান্য ময়দা দিয়ে পরোটা গোল করে বেলে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে পুর যাতে বেড়িয়ে না যায়। তবে বেলবার সময় যদি একটু আদদু পুর বেড়িয়ে যার, তার টেস্ট কিন্ত আরও ভালো হয়।
একি ভাবে সব কটা পরোটা বেলে নিতে হবে।
এবার পরোটা ভাজবার জন্য একটা পাত্র বসিয়ে দিতে হবে। পাত্র গরম হলে পরোটা দিয়ে দিতে হবে। প্রথমে কিন্তু তেল দেওয়ার দরকার নেই।এখন তেল দিলে পরোটা ভাজতে বেশি তেল লাগবে।
এক পিঠ হয়ে গেলে উল্টে দিতে হবে।
দুপিঠ ভালোভাবে ভাজা হলে তেল দিতে হবে ২ চামচ। এবার উল্টে পাল্টে পরোটা ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
পরোটা ভাজা হলে তুলে নিতে হবে। একিভাবে বাকি পরোটা ভেজে তুলে নিতে হবে।
এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন ছাতুর পরোটা।।
বিস্তারিত পড়ুন

ভাপা দই ; কি ভাবে বানাবেন ভাপা মিষ্টি দই ? Bhapa Doi

ভাপা দই ; কি ভাবে বানাবেন ভাপা মিষ্টি দই ? Bhapa Doi

ভাপা দই


ভাপা দই বা মিষ্টি দই আমাদের খুবই জনপ্রিয় একটি রেসিপি। ছোট থেকে বড়ো সবাই আমরা খেতে ভালো বাসি।  আমরা জানি যে মিষ্টি  দই বানাতে অনেক টাই সময় লাগে। কিন্তু আজ আমি খুব কম সময়ে ভাপা মিষ্টি দই বানিয়ে দেখাব।  এই ভাপা দই এর স্বাদ কিন্তু নরমাল মিষ্টি দই এর তুলনায় কোন অংশে কম নয়। তা হলে দেখে নিন এই ভাপা মিষ্টি দই বানাতে কি কি লাগছে।


Bhapa-Doi-Bengali-Recipe

 উপকরনঃ -
দুধ ১ লিটার
চিনি ১ কাপ
এলাচ গুঁড়ো ১/৪ চামচ
জল ঝরানো টক দই ১ কাপ ( টক দই ছাকুনিতে রেখে দিলেই জল ঝরে যায় ) ।

কি ভাবে বানাবেন এই ভাপা দই?




প্রণালিঃ-
প্রথমে দুধটা জাল দেওয়ার জন্য কড়াই তে নিয়ে নিতে হবে।
দুধ কিন্তু সব সময় নাড়াচাড়া করতে হবে যাতে নীচে লেগে না যায় আর ওপরে সর না পরে।
দুধ যখন খুব ভালো ভাবে ফুটে উঠবে, ওর মধ্যে চিনি দিয়ে দিতে হবে।
চিনি দেওয়ার পরও কিন্তু নাড়াচাড়া করতে হবে, আর কড়াই এর গায়ে যদি সর লেগে থাকে, তা চেঁচে দুধের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।
দুধ জাল দিয়ে ৩ ভাগের ১ ভাগ করে নিতে হবে।
বেশ কিছুক্ষণ পর যখন দুধটা ৩ ভাগের ১ ভাগ হয়ে যাবে, তখন দুধটা নামিয়ে নিতে একটি পাত্রে হবে।
এরপর দুধটা ঠাণ্ডা করে নিতে হবে, তবে খুব বেশি ঠাণ্ডা না করলেও হবে, হালকা গরম হতে হবে। যদি গরম অবস্থাতে টক দই দেওয়া হয়, দুধ কেটে যাওয়ার ভয় থাকে।
দই যখন হালকা গরম হবে, ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে জল ঝরানো টক দই আর এলাচ গুঁড়ো।
সব উপকরণ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
ভাপে বসানোর জন্য একটা টিফিন বক্স নিতে হবে, ওর মধ্যে সামান্য ঘি দিতে হবে। ঘি গোটা পাত্রে বুলিয়ে নিতে হবে, যাতে ভাপা দই টা সহজেই বেরিয়ে আসে।
টিফিন বক্স এর মধ্যে এবার দুধ, দই আর এলাচ গুঁড়োর মিশ্রণটা ঢেলে দিতে হবে।
ভাবে বাসান হবে, তাই টিফিন বক্স এর ঢাকনা টা আটকে দিতে হবে।
এরপর টিফিন বক্সটা ভাপে বসানোর জন্য একটা বড়ো পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে, তবে জল কিন্তু খুব বেশি দেওয়ার দরকার নেই। খেয়াল রাখতে হবে জল যেন টিফিন বক্স এ কোন ভাবেই না ঢোকে ।
জলের মধ্যে টিফিন বক্সটা বসিয়ে দিতে হবে।
এবার জলের পাত্র টা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ৩০ মিনিট।
৩০ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। জলের পাত্রের ঢাকনাটা খুলে দিতে হবে। জল গরম তাই টিফিন বক্সটা পরে উঠাতে হবে।
কিছুক্ষণ পর টিফিন বক্স টা তুলে নিন।
তৈরি হয়ে গেল ভাপা দই।।
এরপর মনের মতো করে সাজিয়ে নিন দুধে ভেজানো কেশর আর পেস্তা দিয়ে।
বিস্তারিত পড়ুন

ঝিঙে ভাপা | Jhinge Bhapa Bengali Recipe

ঝিঙে ভাপা | Jhinge Bhapa Bengali Recipe

ঝিঙে ভাপা

আজ আমি ঝিঙে ভাপা বানিয়ে দেখাব। এটা একটি নিরামিষ রেসিপি। আমরা সাধারণত নানা ধরনের ভাপা খেয়ে থাকি আর সবার স্বাদ আলাদা হয়। তবে এই ঝিঙে ভাপার স্বাদ কিন্তু কোন অংশে কম নয়।  আমি এটা গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করে থাকি। তা হলে দেখে নিন এই ঝিঙে ভাপা বানাতে কি কি লাগছে।
jhinge-bhapa-bengali-recipe

উপকরণঃ-
ঝিঙে ৩০০ গ্রাম
নারকেল কোড়া ৩ টেবিল চামচ
পোস্ত ২ টেবিল চামচ
কালো সরষে ১ টেবিল চামচ
চিনি সামান্য ( তবে চিনি যদি খাবারে পছন্দ না করেন, তা হলে কিন্তু চিনি না দিয়েও এটা বানাতে পারেন )
হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ
নুন পরিমাণ মতো
কাঁচা লঙ্কা ৩ টি
লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ
সরষের তেল

কি ভাবে বানাবেন এই ঝিঙে ভাপা? 



প্রণালিঃ-
প্রথমে ঝিঙের খোসা ফেলে দিয়ে মাঝারি মাপ করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে।
এরপর কিছু উপকরণ পেস্ট বানাতে হবে । মিক্সির জারের মধ্যে নিতে হবে পোস্ত, সরষে, নারকেল কোড়া ,একটা কাঁচা লঙ্কা দুভাগ করে দিয়ে দিতে হবে আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন। এবার জল দিয়ে সব উপকরণ ভালো ভাবে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
সব উপকরণ পেস্ট হয়ে গেলে নিয়ে নিতে হবে, যে পাত্রে ভাপা বানানো হবে। মিক্সির জারে পেস্ট লেগে থাকলে জল দিয়ে ধুয়ে ভাপার পাত্রে নিয়ে নিতে হবে।
এরপর ভাপার পাত্রে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো , লঙ্কা গুঁড়ো আর দিতে হবে চিনি। এবার সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর একটা পাত্র গরম করে সরষের তেল দিয়ে দিতে হবে । তেল গরম হলে ঝিঙে দিতে হবে। এবার ঝিঙে ভেজে নিতে হবে, তবে খুব বেশি ভাজবার দরকার নেই।
ঝিঙে ভাজা হলে ওর মধ্যে সামান্য হলুদ গুঁড়ো দিতে হবে, যাতে রঙ টা ভালো আসে।
হলুদ দেওয়ার পর ঝিঙে একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
এরপর ঝিঙে নামিয়ে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে ভাপার পাত্রে।
সব উপকরণ আবার মিশিয়ে নিতে হবে।
ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কাঁচা সরষের তেল আর দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা চেরা ।
এখন টিফিন বক্স টা ঢাকনা দিয়ে আটকে দিতে হবে কারন ভাপে বসাতে হবে।
ভাপে বসানোর জন্য একটা বড়ো পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে, তবে জল কিন্তু খুব বেশি দেওয়ার দরকার নেই। টিফিন বক্সটা অর্ধেক ঢুবে থাকলেই হবে।
এবার ভাপার টিফিন বক্সটা জলের মধ্যে বসিয়ে দিতে হবে।
জলের পত্রটাও ঢাকনা দিয়ে দিতে হবে, যাতে বাস্প বেরিয়ে না যায়। এখন এটা হতে দিতে হবে ২০ মিনিট তবে আঁচটা কমিয়ে দিতে হবে।
২০ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। তবে ভাপার পাত্রটা একটু ঠাণ্ডা হলে তুলতে হবে।
এরপর গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন ঝিঙে ভাপা।।
বিস্তারিত পড়ুন

Potol Bata Recipe - কি ভাবে বানাবেন পটল বাটা

Potol Bata Recipe - কি ভাবে বানাবেন পটল বাটা

পটল বাটা রেসিপি 

 আজ আমি পটল বাটা বানিয়ে দেখাব। এটা খেতে যেমন সুন্দর হয়, দেখতেও কিন্তু সুন্দর লাগে। এই পটল বাটা আমি ভাত দিয়ে খেয়ে থাকি, তবে গরম ভাত হলে ভালো হয় । তা হলে দেখে নিন এই পটল বাটা বানাতে কি কি লাগছে -

potol-bata-Bengali-Recipe


উপকরনঃ-
পটল ৬টি
কাঁচা লঙ্কা ১ টি
সরষের তেল
কালোজিরা সামান্য
শুকনো লঙ্কা ১ টি
আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ
স্বাদ মতো নুন
হলুদ গুঁড়ো সামান্য
পোস্ত বাটা ১ চামচ

কি ভাবে বানাবেন এই পটল বাটা ?





প্রণালিঃ-
প্রথমে পটল গুলো ধুয়ে নিতে হবে ভালোভাবে। এরপর পটলের  দুই ধার কেটে ফেলে দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে , যাতে পেস্ট বানাতে সুবিধা হয়।
এবার মিক্সির জারের মধ্যে পটল গুলো নিয়ে নিতে হবে। ওর মধ্যে দিতে হবে একটা কাঁচা লঙ্কা। পটল আর কাঁচা লঙ্কা খুব ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।তবে জল না দিয়েই কিন্তু পেস্ট বানাতে হবে। শিল পাটাতেও বাটতে পারেন।
এরপর একটা পাত্র গরম করে সরষের তেল দিতে হবে ২ চামচ।
তেল গরম হলে সামান্য কালোজিরা দিয়ে দিতে হবে। আর ১ টা শুকনো লঙ্কা ছিঁড়ে দিয়ে দিতে হবে।
তেলে সামান্য ভেজে নিতে হবে, যাতে সুন্দর একটা গন্ধ আসে।
এবার তেলে দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা। তেলে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে, যাতে আদা রুসুনের কাঁচা গন্ধ টা চলে যায়। আপনারা যদি নিরামিষ বানাতে চান তা হলে শুধু আদা বাটা দিতে পারেন। আর যদি রুসুনের  গন্ধ ভালো লাগে, তা হলে আদা-রুসুন বাটার বদলে শুধু রুসুন বাটা দিয়ে এটা বানাতে পারেন। 
আদা-রুসুন ভাজা হলে পটল আর কাঁচা লঙ্কা বাটাটা দিয়ে দিতে হবে। দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন। তবে নুন কিন্তু কম দিতে হয়, আসলে পটল বাটা নাড়াচাড়া করতে করতে কিন্তু অনেকটাই কমে যায়। আর দিতে হবে সামান্য হলুদ গুঁড়ো।
এবার এই সব উপকরণ খুব ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে, যাতে পটলের কাঁচা গন্ধটা চলে যায়।
পটল ভালোভাবে নাড়াচাড়া করার পর, ওর মধ্যে ১ চামচ কাঁচা সরষের তেল দিয়ে দিতে হবে। আর দিতে হবে ১ চামচ পোস্ত বাটা।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে গেল পটল বাটা।।





বিস্তারিত পড়ুন

খেজুর গুড়ের পায়েস ; সহজেই বানিয়ে ফেলুন গুড়ের পায়েস

খেজুর গুড়ের পায়েস ; সহজেই বানিয়ে ফেলুন গুড়ের পায়েস

গুড়ের পায়েস

খেজুর গুড়ের পায়েস, এটা খুব সহজেই বানানো যায়। আমরা সাধারণত চিনি দিয়ে পায়েস বানিয়ে থাকি। কিন্তু আজ আমি খেজুর গুঁড় দিয়ে পায়েস বানাব। খেতে খুবই সুস্বাদু হয়, তা ছাড়া দেখতেও ভাল লাগে। খেজুর গুঁড় আমরা সাধারণত শীত কালে পেয়ে থাকি, কিন্তু যখন হাতের কাছে খেজুর গুঁড় পাওয়া যাবে না, পাটালি গুঁড় দিয়েও কিন্তু বানানো যায়। আমি এই পায়েস রান্না তে খুবই সামান্য নুন ব্যবহার করব তাতে স্বাদ অনেকটাই বাড়ে , তবে আপনারা যদি পূজোর ভোগের জন্য এই পায়েস বানান তা হলে কিন্তু নুন না দিয়েই বানাতে হবে। কারন ভোগের রান্নাতে নুন ব্যবহার হয় না। তা হলে দেখে নিন এই খেজুর গুড়ের পায়েস বা গুড়ের পায়েস বানাতে কি কি লাগছে -

 Khejur-Gurer-Payesh-Bengali-Rice-Kheer-Recipe

উপকরনঃ - ১ কাপ গোবিন্দভোগ চাল ( গোবিন্দভোগ চাল ভালভাবে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে ৩০ মিনিট, তবে পায়েস বানানোর সময় জল কিন্তু ফেলে দিতে হবে), ঘি ১ চামচ, কিছু কাজু- কিসমিস, দুধ ১ লিটার, নুন পরিমাণ মতো ( যদি পূজোর ভোগের জন্য পায়েস বানান তা হলে কিন্তু নুন না দিয়ে বানাতে হবে) আর লাগছে খেজুর গুড় ১ কাপ।।

কি ভাবে বানাবেন এই  খেজুর গুড়ের পায়েস ?





প্রণালিঃ- গোবিন্দভোগ চাল ভেজানোর ৩০ মিনিট পর কিন্তু পায়েস বানাতে হবে। প্রথমে কড়াই বসিয়ে দিতে হবে।
এবার কড়াই এর মধ্যে ১ চামচ ঘি দিয়ে দিতে হবে।
ঘি টা গলিয়ে নিতে হবে।
ঘি গলে গেলে ওর মধ্যে কাজু-কিসমিস দিয়ে দিতে হবে। কাজু ভাজা ভাজা হলে কিন্তু খেতে ভাল লাগে। কাজু ভাজা হলে তুলে নিতে হবে।
কাজু-কিসমিস তুলে নেওয়ার পর কড়াই এর মধ্যে জল ঝড়ানো বাসমতি চাল দিয়ে দিতে হবে। চাল কিন্তু ভাজলে হবে না, শুধু ঘি এর সাথে ভালভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
ঘি আর চাল ভালভাবে মিশে গেলে, ১ লিটার দুধ দিয়ে দিতে হবে।
দিতে হবে ভাজা কাজু-কিসমিস। আর দিতে হবে খুবই অল্প নুন। তবে আপনারা যদি ভোগের জন্য বানান, তা হলে কিন্তু নুন দেবেন না। কারন পূজোর ভোগের জন্য কোন রেসিপি বানালে নুন না দিয়েই কিন্তু বানাতে হয়।
দুধ উথলে পরে যাওয়ার কিন্তু ভয় থাকে , তাই দুধ ফুটে উঠলেই কিন্তু আঁচ কমিয়ে দিতে হবে।
পায়েস মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করতে হবে, না হলে নীচে লেগে যেতে পারে। তা ছাড়া কড়াই এর গায়ে সর পরলেও তা চেঁচে পায়েস এর সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।
আঁচ কমিয়েই হতে দিতে হবে ২০ মিনিট।
২০ মিনিট পর দেখে নিতে হবে পায়েস এর চাল ঠিকঠাক সেদ্ধ হয়েছে কিনা। পায়েস এর চাল কিন্তু খুব ভালভাবে সেদ্ধ করতে হবে।
এবার দিয়ে দিতে হবে খেজুর গুড়। যদি আপনারা পাটালি গুড় ব্যবহার করেন তা হলে গুড় প্রথমে গুঁড়ো করে নিয়ে পায়েস এর মধ্যে দিয়ে দেবেন।
গুড় দেওয়ার পর সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। পায়েস হতে দিতে হবে আরও ১০ মিনিট তবে আঁচ কমিয়ে।
১০ মিনিট পর নামিয়ে নিন খেজুর গুড়ের পায়েস।।
বিস্তারিত পড়ুন

চিংড়ি মাছের টক | Bengali Recipe

চিংড়ি মাছের টক | Bengali Recipe

চিংড়ি মাছের টক

চিংড়ি মাছ দিয়ে নানা ধরনের রেসিপি সবার বাড়িতেই হয়ে থাকে। চিংড়ি মাছে কাঁটা থাকে না বলে ছোট থেকে বড় সবার প্রিয় হয়ে উঠেছে। চিংড়ি মাছ বাজার থেকে কিনে আনলেই আপনারা বানিয়ে ফেলেন হয় মালাই কারি বা চিংড়ি মাছের ঝাল। কিন্তু আজ আমি যে রেসিপি টা শেয়ার করছি, এটা বানাতে মশলা খুবই কম লাগে আর তার সাথে সাথে সময়। চিংড়ি মাছের টক কিন্তু স্বাদে কোন অংশেই কম যায় না। আশাকরছি আমার এই রেসিপি সবার ভালো লাগবে। টা হলে দেরি না করে ঝটপট লিখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে ফেলুন।

bengali-recipe-chingri-macher-tok

 উপকরণঃ- লাগছে ২০০ গ্রাম চিংড়ি মাছ ( যে কোন মাপের চিংড়ি মাছ নিতে পারেন তবে চিংড়ি মাছ গুলো কেটে পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে ), পরিমাণ মতো তেতুল জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে রান্নার ১৫ মিনিট আগে ( তবে এই রান্নাতে কিন্তু তেতুল গোলা জল ব্যাবহার হবে, তেতুল ফেলে দিতে হবে), ১ কাপ নারকেলের দুধ ( এটা বানাতে হবে একটা ছোট নারকেলের অর্ধেক দিয়ে ), লাগছে নুন পরিমাণ মতো, পাঁচফোড়ন সামান্য, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ আর লাগছে চিনি সামান্য।

 কি ভাবে বানাবেন এই চিংড়ি মাছের টক? 




প্রণালিঃ- চিংড়ি মাছের টক বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে চিংড়ি মাছ গুলো দিয়ে দিতে হবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন পাঁচফোড়ন আর হলুদ গুঁড়ো।
এবার মাছ গুলো ভেজে নিতে হবে। তবে খুব বেশি ভাজবার দরকার নেই , কারণ চিংড়ি মাছ খুব বেশি ভাজলে শক্ত হয়ে যেতে পারে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে তেতুল গোলা জল। আরও একটু জল দিয়ে দিতে হবে। আর দিয়ে দিতে হবে চিনি। এসময় যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে তাহলে এসময় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, তবে মাঝে একবার নাড়াচাড়া করে দিতে হবে। এটা কিন্তু হতে দিতে হবে মাঝারি আঁচে।
১০ মিনিট পর নারকেলের দুধ দিয়ে দিতে হবে আর সামান্য কাঁচা সরষের তেল ছড়িয়ে দিতে হবে।
এবার এটা হতে দিতে হবে ২ মিনিট এর মতো, আঁচ কিন্তু কমানোই থাকবে।
২ মিনিট পর নামিয়ে নিন চিংড়ি মাছের টক। এটা অবশ্যই ভাতের সাথে পরিবেশন করবেন।।

বিস্তারিত পড়ুন

ডালের বড়া তৈরির সহজ রেসিপি । বেঙ্গলি রেসিপি

ডালের বড়া তৈরির সহজ রেসিপি । বেঙ্গলি রেসিপি

ডালের বড়া

মুসুর ডালের বড়া প্রায় সব বাড়িতেই কম বা বেশি বানানো হয়ে থাকে। কিন্তু আজ আমি মুসুর ডাল আর ছোলার ডাল দিয়ে বানিয়ে দেখাবো। অন্য স্বাদের একটা রেসিপি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে। আমার এই  ডালের বড়ার রেসিপি যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জানাতে পারেন, আর পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Daler-bora-Bengali-Recipe

উপকরণঃ- ১ কাপ ছোলার ডাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে, ১ কাপ মুসুরির ডাল ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে ( এই দু'ধরনের ডাল মানে মুসুর ডাল আর ছোলার ডাল ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলেই হয়), ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, আদা - রুসুন ছেঁচা ১ চামচ, ২ টো কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে লাগছে ১ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, গোটা জিরা সামান্য, কালোজিরা সামান্য আর লাগছে ভাজবার জন্য সরষের তেল ।।

কি ভাবে বানাবেন ডালের বড়া ? 



প্রণালিঃ- প্রথমে এই দুই ধরনের ডাল মানে মুসুর ডাল আর ছোলার ডাল খুব ভালোভাবে মিক্সিতে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে, তবে শিলে বাটলেও হবে।
এরপর ডাল বাটা একটা পাত্রে ঢেলে নিতে হবে। আর ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার ডাল বাটা খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। যতো ভালোভাবে ফেটানো হবে বড়ার বাইরে টা মচমচে আর ভেতরটা নরম হবে।
ডাল ফেটানো হয়ে গেলে ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে লঙ্কা - হলুদ গুঁড়ো, গোটা জিরা, কালোজিরা, পেঁয়াজ কুঁচি, আদা - রুসুন ছেঁচা আর কাঁচা লঙ্কা কুঁচি।
আবার হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
ডালের বড়া ভাজবার জন্য পাত্র গরম করে তেল দিতে হবে, একটু বেশি করেই তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে ডালের মিশ্রন থেকে অল্প অল্প নিয়ে দিয়ে দিতে হবে। তবে বড়া গুলো গোল গোল না বানিয়ে হাতের সাহায্যে একটু চ্যাপ্টা করে দিতে হবে।
একপিঠ হয়ে গেলে উল্টে দিতে হবে।
দুপিঠই হয়ে গেলে আবার উল্টে পাল্টে লালচে করে ভেজে নিতে হবে ।
ভাজা হলে বড়া তুলে নিতে হবে। একিভাবে সব বড়া ভেজে নিন।
এরপর গরম গরম পরিবেশন করুন মচমচে ডালের বড়া।।
বিস্তারিত পড়ুন

পেঁয়াজ পোস্ত | Bengali peyaj posto Recipe ||

পেঁয়াজ পোস্ত | Bengali peyaj posto Recipe ||

পেঁয়াজ পোস্ত রেসিপি

পেঁয়াজ পোস্ত, খুবই সহজ এবং সুস্বাদু রেসিপি। আমরা বঙ্গালীরা পোস্তর যে কোন রেসিপি খেতে ভালোবাসি  - যেমন ধরুন পেঁয়াজ পোস্ত, আলু পোস্ত, ঝিঙে পোস্ত বা ধরুন পটল পোস্ত । তবে সব ধরনের রেসিপির স্বাদ কিন্তু নানা ধরনের হয়ে থাকে। আজ আমি পেঁয়াজ পোস্ত বানিয়ে দেখাব। গরম ভাতের সাথে এটা পরিবেশন করতে হয়। তাহলে দেরি না করে ঝটপট লিখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে ফেলুন জনপ্রিয় এই পেঁয়াজ পোস্ত রেসিপি।।

Bengali-peyaj-posto-recipe

উপকরণঃ- পেঁয়াজ পোস্ত বানানোর জন্য লাগছে ছোট কাপের এক কাপ পোস্ত ( পোস্ত জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে, যাতে খুব ভালোভাবে পেস্ট বানানো যায়। তবে পোস্ত ভিজিয়ে রাখতে হবে রান্নার ১৫ মিনিট আগে ), লাগছে ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টেবিল চামচ সরষের তেল, হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ, ৩ টি কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর লাগছে নুন পরিমাণ মতো।।

কি ভাবে বানাবেন এই পেঁয়াজ পোস্ত?


প্রণালিঃ- প্রথমে জলে ভেজানো পোস্ত, মিক্সি বা শিলে বেটে নিতে হবে।
পেঁয়াজ পোস্ত বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।
এবার পেঁয়াজ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
পেঁয়াজ ভাজা হলে কাঁচা লঙ্কা কুঁচি দিয়ে দিতে হবে।
কাঁচা লঙ্কা পেঁয়াজের সাথে সামান্য নাড়াচাড়া করে পোস্ত বাটা, হলুদ গুঁড়ো আর পরিমাণ মতো নুন দিয়ে দিতে হবে। দিয়ে দিতে হলে কাঁচা সরষের তেল।
এবার পোস্ত ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
পোস্ত ভালো ভাবে ভাজা হলে নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলো পেঁয়াজ পোস্ত।।
পেঁয়াজ পোস্ত অবশ্যই গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করবেন।।


বিস্তারিত পড়ুন

মিস্টি দই - সহজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মিস্টি দই

মিস্টি দই - সহজেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন মিস্টি দই

মিস্টি দই রেসিপি

 মিস্টি দই বানানো কিন্তু খুবই সহজ। এর মূল উপকরণ হল টক দই, দুধ আর চিনি। হাতের কাছে তো এই উপকরণ গুলো সহজেই পাওয়া যায়। তা হলে দেরি কেন, লিখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে ফেলুন এই সুস্বাদু মিস্টি দই। আমার এই রেসিপি যদি ভালো লাগে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জানাবেন, পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিতে ভুলবেন না।

উপকরণ :- দুধ ১ লিটার
চিনি ১ কাপ
টক দই আধা কাপ
আর গোটা এলাচ ২ টো।

Mishti-doi-Bengali-recipe

 কি ভাবে বানাবেন এই মিস্টি দই?


প্রণালি :- একটি পাত্রে দুধ নিয়ে গ্যাসের উপর বসিয়ে গ্যাস অন করে দিতে। আর ওতে দিয়ে দিতে হবে গোটা এলাচ। একটি হাতা দিয়ে দুধ নাড়তে হবে যেন ওপরে সর না পরে যায়। এটা নাড়তে হবে যতোক্ষণ না অর্ধেক হয়ে যায়। ১ লিটার দুধ ৫০০ গ্রাম এর মতো করে নিতে হবে। দুধ ৫০০ গ্রাম এর মতো হয়ে গেলে গ্যাস বন্ধ করে চিনি দিয়ে দিতে হবে। হাতা দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। চিনি গলে গেলে একটি পাত্রে ঢেলে নিতে হবে। তবে গরম দুধ মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করতে হবে। দই এর লালচে রঙ আনার জন্য একটা বড়ো চামচের মধ্যে ১ চামচ চিনি আর ২ চামচ জল দিয়ে গ্যাস এ মধ্যে ধরতে হবে। কিছুক্ষণ পর দেখা যাবে চিনি গলে লালচে হয়ে গেছে। এরপর চামচটা গরম দুধ এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। দুধ বেশি ঠাণ্ডা হতে দিলে হবে না। হালকা গরম থাকতে থাকতে এর মধ্যে মিশিয়ে নিতে হবে টকদই। এরপর এটা ঢেলে নিতে হবে একটি মাটির পাত্রে। দই ভালোভাবে বসার জন্য মাটির পাত্রটা গরমের মধ্যে রাখতে হবে। একটি তাওয়াল বা অন্য কিছু দিয়ে ভালোভাবে ঢেকে রাখতে হবে। গরম না হলে দই ভালোভাবে বসবে না। এটা রেখে দিতে হবে ১০ থেকে ১২ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। ১২ঘণ্টা পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। মিস্টি দই তৈরি।
বিস্তারিত পড়ুন

কড়াইশুঁটির কচুরি - সহজেই বানান মটরশুটির কচুরি

কড়াইশুঁটির কচুরি - সহজেই বানান  মটরশুটির কচুরি

কড়াইশুঁটির কচুরি / মটরশুটির কচুরি 

কচুরির কথা শুনলেই যেন খিদের পরিমান আনেকটাই বেড়ে যায়। তা যদি আবার হয় কড়াইশুঁটির কচুরি  বা মটরশুটির কচুরি । নানা ধরনের কচুরি হয়তো মাঝে মাঝেই বাড়িতে হয়েই থাকে। কিন্তু এই কড়াইশুঁটির কচুরি সাধারণত হয়ে থাকে শীতকালে , কারন শীতকালেই কড়াইশুঁটি বাজারে পাওয়া যায়। তা হলে দেরি না করে চতজলদি লিখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে বাড়ির সবার মন জয় করে নিন।
উপকরণ :- মটরশুঁটি ৫০০ গ্রাম, ময়দা ২কাপ, গোটা মৌরি সামান্য, আদাবাটা ১ চামচ, ২ টো কাঁচালঙ্কা বাটা, রোস্টেড জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, ঘি ১ চামচ, লঙ্কার গুঁড়ো ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, নুন পরিমাণ মতো, চিনি ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ আর লাগছে ডুবো তেলে কচুরি ভাজবার জন্য সাদা তেল।

কি ভাবে বানাবেন  কড়াইশুঁটির কচুরি?


প্রণালি :-
প্রথমে মটরশুঁটি ছাড়িয়ে বেটে নিতে হবে।
এরপর ময়দা মাখাতে হবে, তাই ময়দা তে দিতে হবে ঘি, আর পরিমান মতো নুন। ঘি আর নুন ময়দা তে মিশিয়ে নিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে ময়দা মাখতে হবে। মাখা ময়দা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ মিনিট।
এরপর বানিয়ে নিতে হবে কচুরির পুর। প্যান গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে মৌরি, আদা বাটা আর কাঁচালঙ্কা বাটা। তেলে মিশিয়ে নিয়ে ওর মধ্যে এক এক করে দিতে হবে মটর শুঁটি বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, চিনি, জিরে গুঁড়ো আর নুন। সব উপকরণ তেলে ভেজে নিতে হবে। এটা বানাতে বেশি সময় লাগবেনা, মটর শুঁটির জল শুকিয়ে গিয়ে শুকনো শুকনো হলেই পুর তৈরি। পুর তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
কচুরি বানানোর জন্য মাখা ময়দা থেকে অল্প অল্প নিয়ে লেচি কেটে নিতে হবে। এরপর একটা লেচি নিয়ে প্রথমে গোল করে পুর দেওয়ার জন্য গর্ত করতে হবে। গর্তের মধ্যে সামান্য তেল বুলিয়ে নিয়ে মটর শুঁটির পুর দিয়ে দিতে হবে। এবার এটা মুড়ে আবার গোল করে নিতে হবে যাতে ভেতরের পুর বেড়িয়ে না আসে। এরপর তেলে ডুবিয়ে নিয়ে লুচির আকারে বেলে নিতে হবে। তবে বেশি চাপ দিয়ে না বেলে হালকা চাপে বেলতে হবে যাতে ভেতরের পুর বেরিয়ে না আসে। এই ভাবে সব কচুরি বেলে নিতে হবে।
ডুবো তেলে কচুরি ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে। ভালোভাবে তেল গরম হলে একটা কচুরি দিয়ে দিতে হবে।একপিঠ হয়ে গেলে উল্টে দিন। দু' পিঠ ভাজা হলে তেল ঝড়িয়ে তুলে নিন। সব কটা কচুরি ভেজে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন আলুর দমের সাথে কড়াই শুঁটির কচুরি।
বিস্তারিত পড়ুন

ভেজিটেবিল চপ

ভেজিটেবিল চপ

ভেজিটেবিল চপ রেসিপি 

ভেজিটেবিল চপ এতো দিন বাজার থেকে কিনে খেয়েছেন, কি তাই তো? আর  না এবার বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন এই চপ। এই ভেজিটেবিল চপ আপনারা অবশ্যই বিকালে চা এর সাথে পরিবেশন করতে পারেন। এর মূল উপকরণ হল বেশ কিছু টাটকা সব্জি। সব্জি তো এখন সহজেই বাজারে পাওয়া যায়। তা হলে দেরি না করে চটজলদি লিখে ফেলুন রেসিপি, আর সময় পেলে বানিয়ে ফেলুন এই এই সুস্বাদু ভেজিটেবিল চপ। আমার এই রেসিপি আপনাদের যদি ভালো লেগে থাকে, তা হলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট এর মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না, আর পারলে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দেবেন। তা হলে দেখে নিন ভেজিটেবিল চপ বানানোর জন্য কি কি লাগছে।
উপকরণ :- ভেজিটেবিল চপ বানানোর জন্য লাগছে কিছু সব্জি (যেমন গাজর ১ টা, বিট ১ টা,কিছু বিনস), ১ টা বড়ো টম্যাটো বীজ ফেলে দিয়ে ছোট ছোট করে কাটা, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ১ টা মাঝারি মাপের আলু সেদ্ধ, ২ টো কাঁচালঙ্কা কুঁচি, আদা-রুসুন কুঁচি ১ চামচ, কিছু বাদাম শুকনো কড়াতে ভেজে খোলা ফেলে দিয়ে দু'ভাগ করে নিতে হবে, চপ ভাজবার জন্য সাদা তেল, নুন পরিমাণ মতো, গরম মশলা গুঁড়ো- রোস্টেড জিরে গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো সব মিলিয়ে ১ চামচ, সামান্য গোটা মৌরি, ১ টেবিল চামচ ব্যসন-১ চামচ কর্নফ্লাওয়ার - সামান্য নুন আর ১/২ কাপ জল দিয়ে ব্যসনের ব্যাটার বানিয়ে নিতে হবে। তাছাড়া আরও লাগছে বিস্কুটের গুঁড়ো, ৩টে গোটা শুকনো লঙ্কা তেলে ভেজে গুঁড়ো করে নিতে হবে।
এই সব উপকরণ দিয়ে ৭ টা চপ বানানো যাবে।

কি ভাবে বানাবেন ভেজিটেবিল চপ? 


প্রণালি :- প্রথমে বিনস - গাজর- বিট সরু সরু করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। সেদ্ধ আলুর খোসা ফেলে দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। এরপর চপের পুর বানানোর জন্য প্যান গরম করে ২ চামচ তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিন মৌরি আর আদা -রুসুন কুঁচি। এক দু'বার নাড়াচাড়া করে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি আর কাঁচালঙ্কা কুঁচি। পেঁয়াজ ভাজতে হবে তবে লাল করে ভাজবার দরকার নেই। পেঁয়াজ অর্ধেক ভাজা হলে দিতে হবে বিট -গাজর-বিনস - ট্যমাটো কুঁচি আর পরিমাণ মতো নুন। সব সব্জি যেহেতু সরু সরু করে কাটা আর চপ ডুবো তেলে ভাজা হবে তাই সব্জি বেশি তেলে ভাজবার দরকার নেই। সামান্য নাড়াচাড়া করার পর ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আলু মাখা, হলুদ গুঁড়ো -রোস্টেড জিরে গুঁড়ো-গরম মশলা গুঁড়ো, বাদাম ভাজা আর ভাজা লঙ্কা, আমি এখানে ৩ টে কাঁচা লঙ্কা দিয়েছি আপনারা চাইলে কম বা বেশি দিতে পারেন। সব উপকরন মিশিয়ে নিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। এরপর দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি। সব্জির সাথে মিশিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
পুর ঠাণ্ডা হলে ওর থেকে অল্প নিয়ে হাত দিয়ে গোল করে নিতে হবে। আপনারা চাইলে গোল বা চ্যাপ্টা করে বানাতে পারেন।আমি একটু লম্বাটে করে বানাবো। এই ভাবে ৭ টা চপ বানিয়ে নিতে হবে।
ডুবো তেলে চপ ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে।
এরপর ব্যাসনের ব্যাটার টা গুলিয়ে নিতে হবে কারন কর্নফ্লাওয়ার আছে নিচে বসে যাওয়ার ভয় থাকে।
এবার একটা চপ নিয়ে ব্যাসনের ব্যাটারে ডুবিয়ে ভালোভাবে বিস্কুটের গুড়ো মাখিয়ে গরম তেলে দিতে হবে। এইভাবে আর ও ২ -৩ টে দিয়ে দিতে হবে।
এরপর লাল করে চপ ভাজা হলে ভালোকরে তেল ঝরিয়ে তুলে নিন। বাকি চপ একি ভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে।
সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ভেজিটেবিল চপ।
বিস্তারিত পড়ুন

তরমুজের শরবত / watermelon juice

তরমুজের শরবত / watermelon juice

তরমুজের শরবত

গরম তো আসতেই চলেছে, তাই নানা ধরনের শরবত আমরা এ সময় সবাই খুব পছন্দ করে থাকি। সে নুন চিনি আর লেবু দিয়ে হতে পারে, কিন্তু নানা ধরনের ফল দিয়ে। তবে গরমে তরমুজ পাওয়া যায় সহজেই। তাই আজ আমি তরমুজের একটা শরবত বানিয়ে দেখাবো । আশা করছি সবার ভালো লাগবে। আমার এই বানানো শরবত যদি ভালো লেগে থাকে, তা  হলে অবশ্যই লাইক বা কমেন্ট করে জানাবেন, পারলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন  না ।

উপকরণ :- ১কিলো তরমুজের লাল অংশ নিতে হবে। চিনি ২ টেবিল চামচ, ১ টা লেবু, বিটনুন সামান্য আর লাগছে বরফের টুকরো।

কি ভাবে বানাবেন তরমুজের শরবত? 



প্রণালি :-
তরমুজের লাল অংশ ছোট টুকরো টুকরো করে কেটে নিতে হবে।এরপর ছুরি দিয়ে ভেতরে র সব বীজ ফেলে দিতে হবে। বীজ ফেলে দিলে সরবত বানানোর পর ছাঁকুনি দিয়ে ছাঁকার দরকার হয় না।
এরপর সব উপকরন মিক্সিতে দিতে হবে - তরমুজ, চিনি ( চিনি পুরপুরি তরমুজ কতটা মিস্টি তার উপর নির্ভর করে), বিটনুন, বরফের টুকরো আর দিতে হবে লেবুর রস।
এটা আমি বানাছি ২ জনের জন্য। আপনারা চাইলে ৪ গ্লাস ও বানাতে পারেন। তখন তরমুজ ছাড়া সব উপকরণ বাড়িয়ে দেবেন আর ২ গ্লাস ঠাণ্ডা জল দেবেন। মিক্সিতে সব উপকরণ মিশে গেলেই তৈরি তরমুজের সরবত। গ্লাসে ঢেলে নিন, দিয়ে দিন একটা বরফের টুকরো। গ্লাসের এক ধারে এক টুকরো তরমুজ আর লেবু দিয়ে মনের মতো করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন তরমুজের সরবত।
বিস্তারিত পড়ুন

ভাপা ইলিশ - সরষে ইলিশ ভাপা

ভাপা ইলিশ - সরষে ইলিশ ভাপা

ভাপা ইলিশ রেসিপি

ভাপা ইলিশ এটি একটি  ঐতিহ্যবাহী বেঙ্গলি রেসিপি । এটা বানানো হয়ে থাকে সরষে বাটা দিয়ে। ইলিশ মাছের নানা পদ - যেমন ভাপা ইলিশ, সরষে ইলিশ, দই ইলিশ, ইলিশ পোলাও আর ও কত ধরনের পদ হয়ে থাকে, এগুলো খেতে সত্যিই অসাধারণ।  তাই যখন বাজার থেকে ইলিশ মাছ আনা হয়ে থাকে কোন টা ছেড়ে কোনটা বানাবেন ভেবে উঠতে পারেন না, কি তাই তো? আজ বানিয়ে ফেলুন ভাপা ইলিশ। এটা বানাতে সময় খুবই কম লাগে। আর উপকরণ লাগে খুবই কম। আমার এই রেসিপি যদি ভালো লাগে অবশ্যই  লাইক বা কমেন্ট করে যানাবেন, পারলে অবশ্যই শেয়ার করে দেবেন বন্ধুদের সাথে। টা হলে দেখে নিন ভাপা ইলিশ বানানোর জন্য কি কি লাগছে।

 উপকরণ :- ইলিশ মাছের পিস ৩ টি, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে সরষের তেল ২ চামচ।

কি ভাবে বানাবেন  ভাপা ইলিশ বা সরষে ইলিশ ভাপা? 


প্রণালি :- ইলিশ মাছের পিস ম্যারিনেট করার জন্য একটি ছোটো পাত্রে মাছের পিস নিতে হবে, টিফিন বক্স হলেই হবে। মাছের মধ্যে দিতে হবে নুন, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো, সরিষা বাটা আর সরষের তেল। হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এবার এটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০ মিনিট।
১০ মিনিট পর ভাপা ইলিশ বানানোর জন্য একটি বড়ো পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে। জল ফুটে উঠল ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পাত্র সমেত ম্যারিনেট করা ইলিশ মাছ। জল সব সময় দেখে দেবেন। যে পাত্রে ইলিশ মাছ নেবেন সেই পাত্রের অর্ধেক টা যেনো জলে ডুবে থাকে। বেশি জল দিলে ফোটার সময় মাছের মধ্যে জল চলে যেতে পারে। এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট তবে মাঝারি আঁচে।
১০ মিনিট পর ঢাকা খুলে মাছের পিস গুঁলো উল্টে দিতে হবে। এবার গ্যাস বন্ধ করে দিয়ে আবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট।
১০ মিনিট পর জল থেকে মাছের পাত্রটা তুলে নিতে হবে। তৈরি ইলিশ ভাপা বা সরষে ইলিশ ভাপা।
বিস্তারিত পড়ুন

আলুর দম - কি ভাবে বানাবেন আলুর দম ?

আলুর দম - কি ভাবে বানাবেন আলুর দম ?

আলুর দম রেসিপি

আলুর দম হল এমনই একটি রেসিপি, যা বাঙালীর ঘরে ঘরে বানানো হয়ে থাকে। লুচির সাথে আলুর দম পরিবেশন করবো না , এ কখনোয় হতে পারেনা। তা হলে দেখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে ফেলুন এই সুস্বাদু পদটি ।

Aloor-dum-Bengali-recipe

উপকরণ :- ২টো বড়ো আলু, দুটো বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, ১ টা টম্যাটো সরু লম্বা লম্বা করে কাটা, দু'টো কাঁচা লঙ্কা দু' ভাগ করে নিতে হবে, সাদা তেল ৩ চামচ, টক দই ১ চামচ, চিনি সামান্য, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, পরিমাণ মতো নুন আর লাগছে আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ।

কি ভাবে বানাবেন আলুর দম?


প্রণালি :- আলু গুলো ৪ ভাগ করে অল্প একটু নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর সেদ্ধ আলু গুলো ভাজার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে আলু দিয়ে দিতে হবে। আলু ভাজা হয়ে এলে ওতে সামান্য হলুদ দিতে হবে। এক দু'বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করে ভাজা আলু তুলে নিতে হবে।
গ্রেভি বানানোর জন্য আবার কড়াতে তেল দিতে হবে। তেলে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভাজতে হবে যতোক্ষন না একটু লালচে ভাব আসে।
এরপর দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা, আদা-রুসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো আর চিনি। সব উপকরণ ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে যাতে আদা-রুসুনের কাঁচা গন্ধ টা চলে যায়। এরপর দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি। টম্যাটো মশলার সাথে ভেজে নিতে হবে। এবার টকদই নুন দিয়ে ফেটিয়ে নিয়ে কড়াতে দিতে হবে। ভেজে রাখা আলু ও দিয়ে দিতে হবে। এক দু'বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করে ২ কাপ জল দিতে হবে।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে দমে হতে দিতে হবে প্রায় ১০ মিনিট তবে মাঝারি আঁচে। মাঝে এক বার ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
নামানোর আগে দিয়ে দিন গরম মশলা গুঁড়ো। রুটি বা লুচির সাথে পরিবেশন করুন আলুর দম।
বিস্তারিত পড়ুন

নারকেল চাটনি - coconut chutney for idli / dosa

নারকেল চাটনি - coconut chutney for idli / dosa

নারকেল চাটনি

নারকেল চাটনি , এটা সাধারণত বানানো হয়ে থাকে যখন আমরা ইডলি বা ধোসা বাড়িতে বানিয়ে থাকি। এর আগে আমি শেয়ার করেছি দোসা ব্যাটার আর মাসালা দোসা। তাই আজ নারকেল চাটনি শেয়ার করছি। আশা করছি এই রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে।

coconut-chutney-for-idli-dosa

উপকরণ :- নারকেল কোড়া১ কাপ ( নারকেল কোড়ার বদলে ছোট ছোট করে নারকেল কেটে এটা বানাতে পারেন), লাগছে ১ টেবিল চামচ কাঁচা বাদাম, ১ চামচ ছোলার ডাল ( ছোলার ডাল চাটনি বানানোর ৩ -৪ ঘণ্টা আগে ভিজিয়ে দিতে হবে), হিং এক চিমটি, গোটা জিরা সামান্য, গোটা কালো সরষে সামান্য, লাগছে ৮ -১০ টা কারী পাতা, নুন পরিমাণ মতো, সাদা তেল ১ টেবিল চামচ, ৩ টি শুক্ন লঙ্কা আর লাগছে ১ টা কাঁচালঙ্কা।

কি ভাবে বানাবেন নারকেল চাটনি ?  

প্রণালি :- চাটনি বানানোর জন্য কিছু উপকরণ মিক্সিতে পেস্ট বানাতে হবে, তাই মিক্সি জারের মধ্যে নিতে হবে নারকেল কোরা, কাঁচা বাদাম, জল সহ ভেজানো ছোলার ডাল, দিয়ে দিতে হবে কাঁচালঙ্কা আর দিতে হবে আধা কাপ জল। চাটনি যদি গাঢ় খেতে ভালোবাসেন তা হলে কম জল দিয়ে এটা বানাতে হবে।
এবার এই সব উপকরণ খুব ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
সব উপকরণ ভালোভাবে পেস্ট হলে ঢেলে নিতে হবে একটি পাত্রে।
এরপর এই বাটা সব উপকরনের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
আর একটা জিনিস চাটনির সব থেকে গুরুত্ব পূর্ণ হলো ফোড়ন, মানে কিছু মশলা চাটনি তে যোগ করা।
ফোড়নের জন্য একটি পাত্র গরম হতে দিতে হবে। পাত্রটি গরম হলে তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে হিং, গোটা জিরা, গোটা সরষে আর শুক্নলঙ্কা গুলো দু'ভাগ করে দিতে হবে।
এগুলো সামান্য ভেজে নিতে হবে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে কারি পাতা।
কারি পাতা কিন্তু খুহ বেশি ভাজবার দরকার নেই।
এবার গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে।
এরপর এই সব উপকরণ দিয়ে দিতে হবে নাড়কেল বাটার মধ্যে।
সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিলেই তৈরি কোকনাট চাটনি।
বিস্তারিত পড়ুন

ফুলকপি ৬৫ - gobi 65 recipe

ফুলকপি ৬৫ - gobi 65 recipe

ফুলকপি ৬৫

 ফুলকপি ৬৫- এটি আপনারা বানিয়ে ফেলতে পারেন খুবই সহজে। মচমচে এই ৬৫ আপনারা বিকালে চা এর সাথে পরিবেশন করতে পারেন। এটা এমনই একটা মুখরোচক জিনিস যা ছোট থেকে বড়ো সবার ভালো লাগবে। তাই দেরি না করে ঝটপট বানিয়ে ফেলুন ফুলকপি ৬৫।



উপকরণ :- ১ টা ছোট ফুলকপি ( ফুলকপিটা মাঝারি মাপ করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে), ডুবোতেলে ফুলকপি ভাজবার জন্য লাগছে সাদা তেল, ময়দা ৩ টেবিল চামচ, কর্নফ্লোর ৩ টেবিল চামচ, নুন পরিমাণ মতো, কাশ্মীরি লাল লঙ্কার গুঁড়ো ১ চামচ, ভিনিগার ১ চামচ, আদা - রুসুন বাটা ২ চামচ, সোয়া সস সামান্য, গরম মশলা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোল মরিচ এর গুঁড়ো সামান্য, সামান্য রেড ফুড কালার( আপনারা চাইলে ফুড কালার না দিয়েও কিন্তু এটা বানাতে পারেন, কারন এটা দিলে খাবারে শুধু রং আসে স্বাদ নয়), লাগছে গোটা কালো সরষে সামান্য, ১ টা কাঁচালঙ্কা সরু সরু করে কেটে নিতে হবে আর লাগছে বেশ কিছু কারী পাতা।

কি ভাবে বানাবেন ফুলকপি ৬৫?


প্রণালি :- প্রথমে ফুলকপির টুকরো গুলো একটু ভাপিয়ে নেওয়ার জন্য একটি পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে।
জলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন আর দিয়ে দিতে হবে ফুলকপি।
যদি ছোট ছোট করে ফুলকপি কাটা হয়, তা হলে গরম জলে না দিয়ে এমনি বানাতে হবে।
ফুলকপি ১ মিনিট এর মতো গরম জলে হতে দিতে হবে। ১ মিনিট এর বেশি কিন্তু গরম জলে রাখলে হবে না, আসলে ফুলকপি সেদ্ধ হবে না। যদি ফুলকপি ছোট ছোট করে কাটা হয়, তা হলে গরম জলে দেওয়ার দরকার নেই।
১ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। এবার এটা নামিয়ে নিতে হবে ছিদ্র থাকা একটি পাত্রে।
এরপর একটা ব্যাটার বানানোর জন্য একটি পাত্রে ময়দা নিতে হবে।
ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে কর্নফ্লোর, গরম মশলা গুঁড়ো, গোল মরিচ এর গুঁড়ো, কাশ্মীরী লাল লঙ্কা গুঁড়ো ( সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো রেখে দিতে হবে, পরে দেওয়ার জন্য), দিয়ে দিতে হবে ফুড কালার( আবার বলছি ফুড কালার না দিয়েও এটা বানাতে পারেন), এবার দিতে হবে সোয়া সস, ভিনিগার, আদা - রুসুন বাটা আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার অল্প অল্প জল দিয়ে ব্যাটার টা গুলে নিতে হবে।
ব্যাটার টা কিন্তু খুব বেশি পাতলা বা গাঢ় হবে না।
ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ভাপা ফুলকপি।
আবার সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
এবার এই ফুলকপি গুলো ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে ফুলকপি।
উল্টে পাল্টে ফুলকপি খুব ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। এরপর ভাজা ফুলকপি তেল ঝড়িয়ে তুলে নিতে হবে।
একি ভাবে বাকি ফুলকপি ভেজে তুলে নিতে হবে।
গোবি ৬৫ বানানোর জন্য একটি পাত্র গরম করে খুবই সামান্য তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে গোটা সরষে, কাঁচালঙ্কা আর কারি পাতা।
তেলে উপকরণ গুলো হালকা ভেজে নিতে হবে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে সামান্য কাশ্মীরি লাল লঙ্কার গুঁড়ো আর দিয়ে দিতে হবে ভাজা ফুলকপি।
এবার গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিলেই তৈরি ফুলকপি ৬৫।
বিস্তারিত পড়ুন

পনীর কেশরী - Paneer kesari Recipe

পনীর কেশরী - Paneer kesari Recipe

পনীর কেশরী

পনীর এর একটা নিরামিষ রেসিপি হলো পনীর কেশরী। এটা রুসুন আর পেঁয়াজ ছাড়া বানানো হয়ে থাকে। এর মূল উপকরণ হল পনীর আর চারমগজ। পনীর কেশরী বানানো খুবই সহজ । স্ময় পেলে বানিয়ে দেখতে পারেন এই সুস্বাদু রেসিপি। 

paneer-kesari-recipe

উপকরণ :- পনির ২০০ গ্রাম ( পনির মাঝারি মাপ করে চৌক চৌক করে কেটে নিতে হবে, অল্প একটু কেশর জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে, ১ টা টম্যাটো কুঁচি, ১ টুকরো আদা, ১ টা কাঁচালঙ্কা, ১/২ চামচ গোটা জিরা, নুন পরিমাণ মতো, সাদাতেল ২ চামচ, টক দই ১ টেবিল চামচ, কাজুবাদাম ১০ টা, ৫ টি শুক্ন লঙ্কার বীজ ফেলে দিয়ে শুধু লঙ্কা নিতে হবে, ২ টেবিল চামচ চারমগজ, ঘি ১/২ চামচ আর লাগছে হালকা গরম জল।

 কি ভাবে বানাবেন পনীর কেশরী? 




প্রণালি :- প্রথমে হালকা গরম জলে বেশ কিছু উপকরণ জলে ভিজিয়ে দিতে হবে। তাই জলের মধ্যে এক এক করে দিতে হবে বীজ ফেলানো শুক্নলঙ্কা, গোটা জিরা, চারমগজ, আর কাজুবাদাম। এবার এই সব উপকরণ ভিজিয়ে রাখতে হবে ১০ মিনিট, যাতে খুব ভালোভাবে পেস্ট বানানো যায়।
১০ মিনিট পর মিক্সিতে সব উপকরণ পেস্ট বানাতে হবে। এটা কিন্তু একটু জল দিয়ে পেস্ট বানাতে হবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি, কাঁচালঙ্কা, আদা ( আদা বাটলে যেনো ১/২ চামচ হয় সেই মতো আদা দিতে হবে), দিয়ে দিতে হবে টকদই আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার এই সব উপকরণ খুব ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
পনির কেশরী বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। প্রথমে পনীর গুলো হালকা ভেজে তুলে নিতে হবে। বেশি ভাজলে শক্ত হয়ে যেতে পারে তাই বেশি ভাজবার দরকার নেই। তবে পনীর হালকা ভাজলে খেতে ভালো লাগে।
ভাজা পনীর গুলো তুলে নেওয়ার পর ওই তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সব মশলার পেস্ট।
মশলার পেস্ট খুব ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
মশলা ভাজা হলে ওর মধ্যে দিতে হবে দু'কাপ জল। যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে, তা হলে এ সময় দিয়ে দিতে হবে।
গ্রেভি গাঢ় ছিটকাতে পারে তাই আঁচ টা কমিয়ে দিতে হবে। এবার গ্রেভি ফুটতে দিতে হবে।
গ্রেভি ফুটে উঠলে ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে ভাজা পনীর, ঘি আর দিতে হবে ভেজানো কেশর। এই রান্নাতে হলুদ গুড়ো দেওয়া হবে না, তাই গ্রেভির রং আসবে এই কেশর থেকে।
আবার এই সব উপকরণ হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, আঁচ কিন্তু কমানোয় থাকবে।
১০ মিনিট পর নামিয়ে নিন পনীর কেশরী।।

বিস্তারিত পড়ুন

মশলা ধোসা

মশলা ধোসা

মশলা ধোসা রেসিপি

 মশলা ধোসা খেতে খুবই সুস্বাদু, এটা আমরা সবাই জানি।কিন্তু এটা হয়তো শুধু বাজার থেকে এতো দিন কিনে খেয়েছেন। বাড়িতে বানানো হয় না কোনদিন । আসলে এটা দক্ষিন ভারতীয় একটা রেসিপি। অবশ্য আমরা বাঙালীর এটা মাঝে মাঝেই দোকানে খেয়ে থাকি। খাওয়া থেকেই ভালবাসা। আর তার জন্যই বার বার ছুটে যেতে হয় দোকানে। আর না, এবার বাড়িতেই বানিয়ে নিন মশলা ধোসা।

Masala-dosa-recipe

উপকরণ :- মশালা দোসা বানানোর জন্য লাগছে ব্যাটার, মাসকড়াই এর ডাল ১ চামচ, মাঝারি মাপের ৩ টি সেদ্ধ আলু, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ খুব ছোট ছোট করে কুঁচিয়ে নিতে হবে, ১ টা কাঁচালঙ্কা কুঁচি( কাঁচালঙ্কা টা ও কাটতে হবে খুবই ছোট ছোট করে), লাগছে নুন পরিমাণ মতো, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ গ্রেড করা আদা ১/২ চামচ, হিং এক চিমটি, গরম মশলা ১ /৪ চামচ, হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে নিতে হবে ১ চামচ, গোটা জিরা আর গোটা সরষে এই দুটো মিলিয়ে নিতে হবে ১/২ চামচ, লাগছে সাদা তেল আর কিছু কারি পাতা।

কি ভাবে বানাবেন মশলা ধোসা?


প্রণালি -
প্রথমে সেদ্ধ আলু গুলো মেখে নিতে হবে।
এরপর মশলা বানানোর জন্য কড়াই গরম করে ২ চামচ এর মতো তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে মাসকড়াই এর ডাল, হিং, গোটা সরষে আর গোটা জিরা।
এই সব উপকরণ একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে, যাতে সব উপকরণ ভাজা ভাজা হয়।
‎এরপর ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি, গ্রেড করা আদা, কাঁচালঙ্কা কুঁচি আর কারি পাতা।
‎আবার সব উপকরণ একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। পেঁয়াজ কিন্তু খুব ভালোভাবে ভাজলে হবে না, শুধু একটু সেঁতলে নিতে হবে।
‎এবার দিয়ে দিতে হবে মাখা আলু, লঙ্কা - হলুদ গুঁড়ো আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
‎এরপর সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
‎এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ২ মিনিট, তবে আঁচ কমিয়ে।
‎২ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে আর গ্যাস টা বন্ধ করে দিতে হবে।
‎ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে গরম মশলা গুঁড়ো আর ধনেপাতা কুঁচি।
‎মিশিয়ে নিলেই তৈরি দোসার পুর।
‎দোসা বানানোর জন্য একটা ননস্টিক তাওয়া গরম হতে দিতে হবে।
‎তাওয়া গরম হলে, একটা ছোট বাটিতে করে দোসার ব্যাটার নিয়ে তাওয়ার মাঝে দিয়ে দিতে হবে।
‎এরপর ওই বাটিটা ব্যাটারের মধ্যে বসিয়ে দিতে হবে। এবার বাটিটা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বড়ো আর পাতলা করে নিতে হবে।
‎এরপর এটা হতে দিতে হবে বেশ কিছুক্ষণ।
‎যখন ধার গুলো একটু একটু উঠে আসবে আর দেখা যাবে নীচের দিকটা লালচে হয়ে আসবে তখন ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সামান্য তেল।
‎তেল পুরো দোসা তে লাগিয়ে নিতে হবে।
‎আবার এটা হতে দিতে হবে বেশ কিছুক্ষণ।
‎যখন মনে হবে দু'পিঠই হয়ে গেছে তখন ওর মাঝে দিয়ে দিতে হবে আলু মশলার পুর।
‎ওপরে ছড়িয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি।
‎এরপর এক প্রান্ত মুড়ে দিতে হবে মশলার ওপর। ঠিক একি ভাবে অপর প্রান্ত মুড়ে দিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলো মশালা দোসা। একি ভাবে সব দোসা বানিয়ে নিতে হবে। এর পর গরম গরম পরিবেশন করুন কোকোনাট চাটনি দিয়ে।
বিস্তারিত পড়ুন

দোসা / ইডলি ব্যাটার তৈরির সহজ পদ্ধতি

দোসা / ইডলি ব্যাটার তৈরির সহজ পদ্ধতি

দোসা / ইডলি ব্যাটার

 দোসা বা ইডলি শুধু বাজার থেকে কিনে খেয়েছেন এতদিন, তার একটাই কারন কি ভাবে এর ব্যাটার টা বানাবেন সেটা যানা নেই তাই তো? এই দোসা বা ইডলি বানানোর ব্যাটার কি ভাবে বানাবেন, তার খুবই সহজ একটা পদ্ধতি  আমি আপনাদের সামনে নিয়ে এসেছি। আশা করছি আপনাদের ভালো লাগবে।

dosa-idli-batter-recipe

উপকরণ :- চাল ২ কাপ( ইডলি বা দোসার ব্যাটার বানানোর জন্য আলাদা আলাদা চাল পাওয়া যায়, ওই চাল হলে ভালো হয়), মাসকড়াই এর ডাল ১ কাপ ( আমরা আনেকে একে বিউলির ডাল বলে থাকি, তবে এর মধ্যে খোসা থাকেনা), মেথি ১/৪ চামচ ( মেথি কিন্তু বেশি দিলে তেতো লাগতে পারে), বেকিং সোডা ১/৪ চামচ আর লাগছে বেকিং নুন পরিমাণ মতো।

কি ভাবে বানাবেন দোসা / ইডলি ব্যাটার ?




প্রণালি :- প্রথমে ২ কাপ চাল আর মেথি ভালোভাবে ধুয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে সারারাত, যাতে চাল ভালোভাবে বাটা যায়।
মাসকড়াই এর ডাল টাও কিন্তু ভিজিয়ে রাখতে হবে সারা রাত। চাল আর ডাল কিন্তু আলাদা আলাদা ভেজাতে হবে, কারন চাল আর ডাল আলাদা আলাদা বাটতে হবে।
সবসময় মনে রাখবেন চাল ২ কাপ নিলে ডাল নিতে হবে ১ কাপ।
সকালে চাল আর মেথি খুব ভালোভাবে মিক্সি তে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। একটু জল দিয়ে কিন্তু পেস্ট বানাতে হবে।
চাল আর মেথি পেস্ট বানানো হলে, মিশ্রণ টা ঢেলে নিতে হবে একটি পাত্রে।
এরপর ভেজানো ডাল টা ও পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। ডাল টা ও বাটতে হবে একটু জল দিয়ে।
ডাল খুব ভালোভাবে পেস্ট বানানো হলে, ওটা ঢেলে নিতে হবে চাল বাটার মধ্যে।
এরপর চাল আর ডাল বাটার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে বেকিং সোডা।
এবার সব উপকরণ খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে।
এরপর এটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ৭ - ৮ ঘণ্টা।
৮ ঘণ্টা পর ঢাকা খুলে নিতে হবে।
ওর মধ্যে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন। আর দিতে হবে সামান্য জল।
এবার সব উপকরণ আবার ফেটিয়ে নিতে হবে। ব্যাটার টা কিন্তু খুব বেশি গাঢ় বা পাতলা হবে না।
তৈরি হয়ে গেলো ইডলি বা দোসার ব্যাটার।
বিস্তারিত পড়ুন

সুজির হালুয়া

সুজির হালুয়া

সুজির হালুয়া রেসিপি

  ভাবছেন তো আজ জল খাবাবে নতুন কি বানাবেন ? বানিয়ে ফেলুন সুজির হালুয়া। এটা বানানো খুবই সহজ। তা হালে দেরি না করে উপকরণ লিখে নিন, আর বানিয়ে ফেলুন। আশা করছি ছোট থেকে বড়ো সবার ভালো লাগবে।

উপকরণ :- সুজি ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, কিছু কাজুবাদাম - কিশমিশ, দুটো এলাচ, নুন সামান্য, ঘি ১ চামচ আর লাগছে দুধ ৪ কাপ।

কি ভাবে বানাবেন সুজির হালুয়া ?  




প্রণালি :- সুজির হালুয়া বানানোর জন্য কড়া গরম করে সামান্য ঘি দিতে হবে। ঘি গলে গেলে কাজুবাদাম দিয়ে হবে। কাজুবাদাম হালকা ভাজা হলে কিশমিশ দিয়ে দিতে হবে।
কাজু-কিশমিশ ভাজা হলে তুলে নিতে হবে।
কড়াতে আবার ঘি দিতে হবে। ঘি গলে গেলে দিয়ে দিতে সুজি। সুজি ভাজতে হবে যতোক্ষণ না একটু লালচে ভাব আসে।
সুজি ভাজা হলে আঁচ কমিয়ে দুধ দিয়ে দিতে হবে।
এরপর দিতে হবে এলাচ, ভাজা কাজু - কিশমিশ সামান্য নুন। আপনারা চাইলে নুন নাও দিতে পারেন। আসলে মিষ্টি জিনিসে কেউ কেউ নুন পছন্দ করেন আবার কেউ কেউ পছন্দ করেন না।
এসময় চিনি দিয়ে দিতে হবে। আমি এখানে ১ কাপ চিনি দিলাম। আপনারা যদি কম মিষ্টি খান তাহলে চিনি কম দেবেন।
এবার এটা হতে দিতে হবে প্রায় ১০ মিনিট। সুজি গাঢ় হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে বানাবেন, তা না হলে সুজি ছিটকাবে।
সুজির হালুয়া আনেকে শুকনো শুকনো পছন্দ করেন আবার অনেকে একটু পাতলা পছন্দ করেন। তাই মনের মতো হলে নামিয়ে নিন সুজির হালুয়া।
বিস্তারিত পড়ুন