Showing posts with label ডিম পর্ব. Show all posts
Showing posts with label ডিম পর্ব. Show all posts

ডিম কষা - সহজেই বানিয়ে ফেলুন ডিমের কষা

ডিম কষা - সহজেই বানিয়ে ফেলুন ডিমের কষা

ডিম কষা রেসিপি

 ডিম কষা, এই রেসিপিটা আপনারা বানিয়ে ফেলতে পারেন হাতের কাছে পাওয়া বেশ কিছু উপকরণ দিয়ে। এর মূল উপকরণ হল সেদ্ধ ডিম। ডিম আমরা সবাই খেতে ভালোবাসি। তাই আর দেরি না করে লিখে নিন রেসিপি, আর বানিয়ে ফেলুন এই সুস্বাদু ডিমের কষা।

Dim-kosha-bengali-egg-curry-recipe

উপকরণ - ৬ টা সেদ্ধ ডিম, ২ টো বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, ৩ টে টম্যাটো কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ২ টো কাঁচা লঙ্কা একটু বড়ো বড়ো করে কাটতে হবে, এলাচ ২ টো, লবঙ্গ ৪ টি, দারচিনি ১টা, আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, নুন পরিমান মতো, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ আর লাগছে তেল ৩ চামচ।

কি ভাবে বানাবেন ডিম কষা? 


প্রনালি:- ডিমের কষা বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলে ডিম দিতে হবে। ডিম বেশি ভাজবার দরকার নেই, হালকা ভাজা হলে তুলে নিতে হবে। ওই তেলেই দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি। তেলে একটু ভেজে নিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিয়ে দিতে হবে। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজতে হবে তবেই গ্রেভি খেতে ভালো লাগবে।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, লঙ্কা গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো। আদা -রুসুন পেঁয়াজ এর সাথে কষিয়ে নিতে হবে।
এরপর দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি আর নুন। এ সময় নুন দিলে টম্যাটো ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যাবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা কুঁচি। দু-এক বার নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ৫ মিনিট তবে মাঝে এক বার ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
টম্যাটো সেদ্ধ হলে ১ কাপ জল, ভাজা ডিম আর ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে দিতে হবে। আবার এটা হতে দিতে হবে প্রায় ৫ মিনিট আর মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে।
৫ মিনিট পর নামিয়ে নিন ডিমের কষা
বিস্তারিত পড়ুন

ডিম পোচ কারি

ডিম পোচ কারি

ডিম পোচ  কারি রেসিপি 

উপকরণ :- ডিম ৫ টা, ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি ( পেঁয়াজ ছোট ছোট করে কাটতে হবে), ক্যাপসিকাম কুঁচি ১ টা ক্যাপসিকাম এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ২ টো বড়ো টম্যাটো কুঁচি, সাদা তেল ৩ চামচ, ১ কোয়া রুসুন আর কিছুটা আদা সরু সরু করে কেটে নিতে হবে, নুন পরিমাণ মতো, আদা - রুসুন বাটা ১/২ চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো সামান্য, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, ১ টা কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি, জিরে গুঁড়ো আর ধনে গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে নিতে হবে ১/২ চামচ আর লাগছে গোল মরিচ এর গুঁড়ো সামান্য।

 কি ভাবে বানাবেন ডিম পোচ কারি ?



প্রণালি :- 
ডিম পোচ কারি বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আদা - রুসুন কুঁচি আর দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভাজতে হবে তবে বেশি ভাজবার দরকার নেই।
পেঁয়াজ অর্ধেক ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে ক্যাপসিকাম কুঁচি।
ক্যাপসিকাম আর পেঁয়াজ এবার ভালোভাবে ভাজতে হবে।
পেঁয়াজ আর ক্যাপসিকাম ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, জিরে - ধনে গুঁড়ো, লঙ্কা - হলুদ গুঁড়ো ( হলুদ গুঁড়ো কিনতি খুব কম দেবেন, তা হলে রান্নার রং টা ভালো আসবে)।
এরপর মশলা তে দিতে হবে সামান্য জল, তা হলে মশলা ভালোভাবে কষানো যাবে।
মশলা ভাজতে হবে, না হলে আদা-রুসুনের কাঁচা গন্ধটা থেকে যাবে।
মশলা ভালোভাবে কষানো হয়ে গেলে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি, কিছুটা ধনেপাতা কুঁচি, গরম মশলা গুঁড়ো আর দিতে হবে নুন। এ সময় নুন দিলে টম্যাটো তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে মশলার সাথে মিশে যাবে।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, তবে মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
১০ মিনিট পর যখন টম্যাটো সেদ্ধ হয়ে মশলার সাথে মিশে যাবে তখন অল্প জল দিতে হবে।
জল ফুটে উঠলে ওর মধ্যে দিতে হবে ডিম কিন্তু তার আগে ডিম ফাটিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে।
হাতা দিয়ে মশলা সরিয়ে দিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে ডিম।
এই ভাবে ৫ টা ডিম ই দিয়ে দিতে হবে কড়াতে।
গ্রেভিতে নুন আছে কিন্তু ডিমে নুন নেই তাই সব ডিমের উপর অল্প অল্প করে নুন ছড়িয়ে দিতে হবে। ছড়িয়ে দিতে হবে গোল মরিচ গুঁড়ো, সামান্য কাঁচালঙ্কা কুঁচি আর ছড়িয়ে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি।
সব উপকরণ মিলে মিশে রান্না টা দেখতে দারুন হয়।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট তবে আঁচ কমিয়ে।
১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। একটা কাঁটা চামচ দিয়ে দেখে নিতে হবে ডিমের কুসুম সেদ্ধ হয়েছে কিনা।
আপনারা চাইলে কুসুম অর্ধেক সেদ্ধ ও খেতে পারেন ওটার স্বাদও আলাদা হয়।
নামিয়ে নিন কাঁচা ডিমের তরকারি বা ডিম পোচ কারি।
বিস্তারিত পড়ুন

ডিমের কোরমা

ডিমের  কোরমা

ডিমের কুসুমের কোরমা রেসিপি

Egg-korma-Egg-masala-recipe

উপকরণ :- ডিম ৬ টা, দু'টো পেঁয়াজ কুঁচি, নাড়কেল বাটা ২ টেবিল চামচ, জিরে গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ধনে গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ১ টা বড়ো টম্যাটো সেদ্ধ করে বীজ আর খোসা ফেলে বেটে নিতে হবে, ৩ টি কাঁচা লঙ্কা বাটা, আদা-রুসুন বাটা ১/২ চামচ, কিশমিশ বাটা ১ টেবিল চামচ, কাজু বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, এলাচ ৩ টি, লবঙ্গ ৪ টি, দারচিনি ১ টুকরো, গোল মরিচ ৪ টি, নারকেলের দুধ প্রায় ২ কাপ, ঘি ১/২ চামচ আর লাগছে সাদা তেল।


 কি ভাবে বানাবেন ডিমের  কোরমা ?


প্রণালি :- ডিমের কুসুম ডুবো তেলে ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে।
এরপর একটি পাত্রে ডিম ফাটিয়ে নিতে হবে। সব ডিম এক সাথে না ফাটিয়ে একটা একটা করে ডিম ফাটাতে হবে। একটা ডিম ফাটানোর পর একটি বড়ো চামচ দিয়ে সাবধানে ডিমের কুসুমটা তুলে নিতে হবে, সাদা আংশ নিলে হবে না।
ডিমের কুসুম টা দিয়ে দিতে হবে তেলে। প্রথমে তেল গরম করে নেবেন, কিন্তু ডিমের কুসুম দেবার সময় আঁচ কমিয়ে দেবেন। এক এক করে বাকী ডিম ফাটিয়ে ডিমের কুসুম তেলে দিয়ে দিতে হবে।
একপিঠ হয়ে গেলে উল্টে দিতে হবে। ডিমের কুসুম ভাজা হলে তুলে নিতে হবে।
ডিমের কুসুমের কোরমা বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর গোল মরিচ। তেলে সামান্য ভেজে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ বাটা, আর নুন। এ সময় নুন দিলে তেল ছিটকাবে না। তেলে ভালোভাবে পেঁয়াজ বাটা ভাজতে হবে। যে কোনো রান্নাতেই ভালোভাবে ভাজবেন, যেন পেঁয়াজ এর কাঁচা গন্ধটা চলে যায়।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা বাটা, আদা-রুসুন বাটা, হলুদ-লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে-জিরে গুঁড়ো আর নারকেল বাটা।
সব উপকরণ তেল ভেজে নিতে হবে। কাঁচা লঙ্কা বাটা আর লঙ্কা গুঁড়ো দেখে দেবেন। আপনারা চাইলে কম বা বেশি দিতে পারেন।
নারকেল বাটা ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে।
এরপর দিতে হবে সেদ্ধ করা টম্যাটো বাটা, কাজুবাদাম বাটা আর কিশমিশ বাটা।
সব উপকরণ ভেজে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে নারকেলের দুধ।
পেঁয়াজ ভাজবার সময় নুন দিয়েছিলাম, তাই আর নুন দিচ্ছি না। যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে তা হলে আপনারা এ সময় নুন দিতে পারেন।
ঝোল ফুটে উঠলে দিয়ে দিতে হবে ভাজা ডিমের কুসুম। আঁচ কমিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট। না হলে গ্রেভি গাঢ় ছিটকাবে। মাঝে একবার ডিমের কুসুম গুলো উল্টে দিতে হবে।
নামানোর আগে দিতে হবে ঘি।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি ডিমের কুসুমের কোরমা
বিস্তারিত পড়ুন

তড়কা রেসিপি - ডাল তড়কা - ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি

তড়কা রেসিপি - ডাল তড়কা - ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি

তড়কা রেসিপি - ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি

তড়কা ডাল নানান ভাবে বানানো হয়, তবে আমি দেখাবো ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি। কারন এটি খুব টেষ্টি হয়। আপনি ডিম ছাড়াও বানাতে পারেন। চলুন দেখে নিই কিভাবে ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি?

উপকরণ :- সবুজ মুগ ডাল ১ কাপ( সারা রাত ভিজিয়ে রেখেছিলাম), ডিম ২ টো, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টো কাঁচা লঙ্কা, ধনেপাতা কুঁচি ১ চামচ, আদা-রুসুন কুঁচি ১ চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো সামান্য, জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, লেবুর রস ১/২ চামচ, তেল ২ চামচ আর লাগছে ঘি ১/২ চামচ।





প্রণালি :- প্রথমে ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে তাই কুকারে ডাল, সামান্য নুন আর জল দিয়ে ৩ টে সিটি দিয়ে নিতে হবে। ডাল যেনো ডুবে থাকে সেই মতো জল দেবেন।
এরপর ডিম ভাজবার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। গরম তেলে ২ টো ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে আর দিতে হবে সামান্য নুন। ডিমের ঝুরো রানাতে হবে। ডিম খুব বেশি লাল করে ভাজবার দরকার নেই। ভাজা ডিম তুলে নিতে হবে।
কড়াতে আবার তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজতে হবে।
পেঁয়াজ ভাজা থেকে অর্ধেক তুলে রাখতে হবে, আর কড়াতে যে অর্ধেক পেঁয়াজ ভাজা থাকবে তার মধ্যে দিতে হবে আদা-রুসুন কুঁচি। আদা - রুসুন খুব সরু সরু করে কাটবেন। তেলে ভেজে নিতে হবে।
এরপর এক এক করে দিয়ে দিতে হবে হলুদ-লঙ্কা গুঁড়ো, টম্যাটো কুঁচি আর সামান্য নুন( ডাল সেদ্ধ করার সময় নুন দেওয়া ছিলো তাই নুন দেখে দিতে হবে)। এ সময় নুন দিলে টম্যাটো তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। টম্যাটো যতোক্ষন না সেদ্ধ হয় এটা হতে দিতে হবে।
টম্যাটো সেদ্ধ হলে ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সেদ্ধ করা ডাল আর দিতে হবে সামান্য জল কারন মশলার সাথে ৫ মিনিট হতে দেবো।
এরপর দিতে হবে গরম মশলা গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর রোস্টেড জিরে গুঁড়ো। আগে থেকে বানানো রোস্টেড জিরে গুঁড়ো ব্যবহার না করে যখন তড়কা বানাবেন তার আগে বানানোর চেস্টা করবেন এতে গন্ধ টা ভালো আসে।
এরপর এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট।
নামানোর আগে দিতে হবে ভাজা ডিম, ভাজা পেঁয়াজ, ধনেপাতা কুঁচি, লেবুর রস আর ঘি। মিশিয়ে নিলেই তৈরি ডাল তড়কা


বিস্তারিত পড়ুন

ডিমের কোরমা রেসিপি

ডিমের কোরমা রেসিপি

ডিমের কোরমা খুব সহজ অসাধারন একটি রেসিপি 

Dimer-korma-recipe-Egg-korma-recipe

উপকরণ :- সেদ্ধ ডিম ৫টা, ঘি ১ টেবিল চামচ, সামান্য কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো, তেজপাতা ১টা, এলাচ ২টো, দারচিনি ১টা, গরম মশলা ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, লবণ পরিমাণ মতো, টক দই ১/২ কাপ, নারকেলের দুধ, আদা রুসুনের পেস্ট ১ চামচ, চিনি ১/২ চামচ, কাঁচালঙ্কা কুঁচি, ২ টো গোটা কাঁচালঙ্কা, সাদা তেল ২ চামচ, গোটা জিরে ১/২ চামচ, গোটা ধনে ১/২ চামচ, কাজুবাদাম ৫টা আর লাগছে ২টো মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুঁচি।


প্রণালি :- ডিমের কোরমার গ্রেভি বানানোর জন্য প্যান গরম করে তেল দিতে হবে ২ চামচ। তেলে দিতে হবে গোটা জিরে আর গোটা ধনে। জিরে আর ধনে সামান্য ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি আর কাঁচালঙ্কা কুঁচি। আমি এখানে ২ টো কাঁচালঙ্কা কুঁচি নিয়েছি। আপনারা চাইলে কম বা বেশি দিতে পারেন। পেঁয়াজ আর কাঁচালঙ্কা ভালোকরে ভাজতে হবে। যতো ভালো করে ভাজবেন গ্রেভি তত খেতে ভালো হবে। পেঁয়াজ ভাজার পর ওতে দিতে হবে আদা রুসুনের পেস্ট, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো। হলুদ আর লঙ্কার গুঁড়ো সামান্যই দিতে হবে গ্রেভির হলকা রঙ এর জন্য। আদা রুসুন পেঁয়াজ এর সাথে ভেজে নিতে হবে। যেনো আদা রুসুনের কাঁচা গন্ধ চলে যায়। এরপর দিতে হবে টক দই। পেঁয়াজ এর সাথে টক দই নাড়তে হবে যতোক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছেড়ে যায়। এরপর এই সব মশলা একসাথে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। ডিম গুলো ছুরি দিয়ে মাঝে মাঝে চিঁরে দিতে হবে যাতে গ্রেভি ডিমের ভেতর ঢোকে। ডিমের কোরমা বানানোর জন্য কড়াই গরম করে ঘি দিতে হবে। ঘি এ ফোড়ন দিতে হবে তেজপাতা, এলাচ আর দারচিনি। ফোড়ন থেকে গন্ধ আসলেই ডিম গুলো দিয়ে দিতে হবে। কোরমার ডিম সামান্য ভাজতে হয়। ডিম সামান্য ভাজা হলে ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ আর মশলার পেস্ট, নারকেলের দুধ ও দিয়ে দিতে হব। নারকেলের দুধ আমি বানিয়েছি ১/২ নারকেল আর ২ কাপ জল দিয়ে। আর দিতে হবে গোটা কাঁচালঙ্কা, চিনি আর পরিমাণ মতো লবণ। ডিমের সাথে গ্রেভি নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর গরম মশলা গুঁড়ো আর সামান্য ঘি। গ্রেভির সাথে ১ মিনিট হতে দিতে হবে। তৈরি ডিমের কোরমা।
বিস্তারিত পড়ুন

এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল রেসিপি

এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল রেসিপি

এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল:

Egg Roll খেতে আমরা সবাই ভালবাসি। বাঙ্গালীর বিকালের খাবারে Egg Roll এক কথায় অসাধারন। Roll নানা ধরনের হয় যেমন Veg Roll, Egg roll, Chicken Egg Roll ইত্যাদি। আজকে আমি দেখাবো একটা অন্য ধরনের রোল, যাকে আপনি বলতে পারেন ক্যাপসিকাম Egg Roll.  এটি খেতে সত্যি অসাধারন। একবার try করে দেখতে পারেন। আমি মনে করি এই রেসিপি টি আপনাদের ভালো লাগবেই। 

how-to-make-egg-roll-at-home

উপকরণ :-
ময়দা ১ কাপ, ডিম ২ টো, চিনি ১ চামচ, গ্রেড করে কাটা গাজর ১ টা, গ্রেড করে কাটা বিট ১ টা, বড়ো ক্যাপসিকাম ১ টা ২ ভাগ করে নিতে হবে, পরিমাণ মতো লবণ, তেল, পেঁয়াজ কুচি ১ টা আর কাঁচালঙ্কা কুচি।



আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 


কিভাবে বানাবেন এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল রেসিপি? 

প্রণালি :-
প্রথমে ময়দা মাখাতে হবে। ময়দাতে চিনি আর পরিমান মতো লবন দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। ওতে দিতে হবে ২ চামচ তেল। তেল আর ময়দা ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে ময়দা মেখে নিতে হবে। ময়দা মখা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০ মিনিট এর মতো। যেহেতু ২ টো রোল বানানো হবে তাই ১০ মিনিট পর মাখানো ময়দা থেকে ২ টো লেচি কেটে নিতে হবে। এরপর ময়দা দিয়ে ২ টো বড়ো রুটি বেলে নিতে হবে। ১ টি রুটির মাঝামাঝি অর্ধেক ক্যাপসিকাম টা রেখে ওতে সামান্য লবণ দিয়ে ভালোভাবে ক্যাপসিকামটা কে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর ১ টা গোটা ডিম ফাটিয়ে ক্যাপসিকাম এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। এরপর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে গ্রেড করা গাজর, গ্রেড করা বিট, পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচালঙ্কা কুচি একসাথে ভালোকরে মাখিয়ে নিতে হবে। এই বিট গাজর থেকে অর্ধেক নিয়ে ডিমের ওপর দিয়ে দিতে হবে যাতে ডিম টা বেড়িয়ে না আসে। এরপরে ক্যাপসিকাম টা কে রোল বানাতে হবে তাই এক সাইড এর রুটি ক্যাপসিকাম এর ওপর দিতে হবে আর বিপরীত দিকের রুটি আগের সাইড এর ওপর দিয়ে দিতে হবে। আর যে রুটির ২ দিক পরে আছে একি ভাবে মুড়ে দিতে হবে। এরপর হাত দিয়ে ভালোভাবে ধার গুলো চেপে চেপে দিতে হবে। না হলে ভাজবার সময় খুলে যেতে পারে। একিভাবে ২ টো রোলই বানিয়ে নিতে হবে। এবার এগরোল ভাজার পালা। তাই কড়াই তে একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে একে একে সাবধানে ২ টো রোল দিয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে এগরোল বানানোর সময় গ্যাস টা কমিয়ে দিতে হবে। একটু সময় লাগবে না হলে এগরোলের ভেতর টা ভালোভাবে হবেনা। একপিঠ ভাজা হয়ে গেলে অন্য পিঠও ভালোভাবে ভাজতে হবে। উল্টে পাল্টে বার বার রোল গুলো ভাজতে হবে। যতো বেশি সময় দেবেন এগরোল ততোবেশি মুচমুচে হবে আর খেতে ভালো লাগবে। ২ পিঠ লাল করে ভাজলেই তৈরি এগরোল। ছুঁড়ি দিয়ে এগরোল গুলো মাঝামাঝি ২ ভাগ করে নিন। আর সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এগরোল।।
বিস্তারিত পড়ুন