Showing posts with label পিঠা রেসিপি. Show all posts
Showing posts with label পিঠা রেসিপি. Show all posts

মালপোয়া ; মালপোয়া পিঠা তৈরির সবচেয়ে সহজ ও পারফেক্ট রেসিপি ।। Malpua Recipe

মালপোয়া ; মালপোয়া পিঠা তৈরির সবচেয়ে  সহজ ও পারফেক্ট রেসিপি ।। Malpua Recipe

মালপোয়া রেসিপি


মালপোয়া পিঠা তৈরির সবচেয়ে  সহজ ও পারফেক্ট রেসিপি । মালপোয়া একটি মিষ্টি জাতীয় খাবার। আসলে মালপোয়া একটি পিঠা। আমরা সাধারণত পিঠা শীত কালে খেয়ে থাকি। কিন্তু এই মালপোয়া পিঠা আমরা সারা বছর খেয়ে থাকি। আসলে এই পিঠা খুব কম সময়েই বানানো যায়। আর হাতের কাছে থাকা উপকরণ দিয়েই বানানো যায়। আমি এখানে কনডেন্সড মিল্ক ব্যাবহার করেছি। তবে আপনাদের হাতের কাছে যদি কনডেন্সড মিল্ক না থাকে, তা হলে কিন্তু কনডেন্সড মিল্ক না দিয়েও এটা বানাতে পারেন। তা হলে দেখে নিন এই মালপোয়া বানাতে কি কি লাগছে।


Malpua-Bengali-Malpua-Recipe



উপকরণঃ-
ময়দা ২ কাপ
কনডেন্সড মিল্ক ২ টেবিল চামচ
এলাচ গুঁড়ো ১/২ চামচ
গোটা মৌরি সামান্য
সুজি ১/৩ কাপ
দুধ ২৫০ গ্রাম
চিনি ২ কাপ
জল ১ কাপ


কি ভাবে বানাবেন এই মালপোয়া রেসিপি?




প্রণালিঃ - মালপোয়া বানানোর জন্য প্রথমে একটা ব্যাটার বানিয়ে নিতে হবে । তাই পাত্রের মধ্যে ২ কাপ ময়দায় নিয়ে নিতে হবে ।
ময়দার মধ্যে দিতে হবে সুজি , গোটা মৌরি, এলাচ গুঁড়ো আর দিতে হবে কনডেন্সড মিল্ক ।
এবার দুধ দিয়ে সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। দুধ কিন্তু গরম নয়, এমনি নরমাল দুধ নিলেই হবে। তবে ব্যাটারটা খুব বেশি গাড় বা পাতলা হবে না। এরপর এটা ধাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ৩০ মিনিট ।
এসময় বানিয়ে নিতে হবে চিনির সিরা। তাই একটি পাত্র বসিয়ে দিতে হবে গ্যাসের মধ্যে। পাত্রের মধ্যে নিয়ে নিতে হবে ২ কাপ চিনি । আর দিতে হবে ১ কাপ জল। যা চিনি নেবেন তার অর্ধের জল দিতে হয়।
এবার এটা হতে দিতে হবে। চিনির সিরা বানাতে কিন্তু খুব বেশি সময় লাগেনা। সব চিনি গলে গেলেই চিনির সিরা তৈরি হয়ে যায়।
চিনির সিরা তৈরি হয়ে গেলে গ্যাসটা বন্ধ করে দিতে হবে।
৩০ মিনিট পর মালপোয়া ভাজবার জন্য ফিয়ে আসলাম । ব্যাটারটা আবার ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রন থেকে কিন্তু ১২ থেকে ১৫ টার মতো মালপোয়া বানানো যাবে।
মালপোয়া ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে।
তেল গরম হলে ময়দা সুজির ব্যাটার থেকে অল্প নিতে হবে, হাতা বা ছোট বাটিতে করে আর দিয়ে দিতে হবে গরম তেলে।
একপিঠ হতে দিতে হবে। মালপোয়া যখন তেলে ভেসে উঠবে, তখনই ভাবতে হবে একপিঠ হয়ে গেছে।
একপিঠ ভাজা হলে উল্টে দিতে হবে। দুপিঠই কিন্তু ভালো ভাবে ভেজে নিতে হবে।
দুপিঠই ভাজা হলে তেল থেকে তুলে নিতে হবে। তবে ভালোভাবে তেল ঝরিয়ে নিতে হবে।
একিভাবে সব মালপোয়া ভেজে তুলে নিতে হবে।
এরপর ভাজা মালপোয়া চিনির সিরাতে দিতে হবে। চিনির সিরা যদি খুব ঠাণ্ডা হয়ে যায়, একটু গরম করে নিলে ভালো হয়।
চিনির সিরাতে মালপোয়া দিয়ে দিতে হবে। মালপোয়া চিনির সিরাতে ১৫ মিনিট রেখে দিতে হবে, যাতে মালপোয়ার ভেতরে ভালোভাবে চিনির সিরা ঢোকে । তবে একেবারে সব মালপোয়া চিনির সিরাতে না ডুবলে কম কম করে দিতে হবে।।
১৫ মিনিট পর চিনির সিরা থেকে মালপোয়া তুলে নিতে হবে।
পরিবেশনের আগে মালপোয়ার ওপরে কাজুবাদাম কুঁচি ছড়িয়ে দিন, তাতে দেখতে ভালো লাগবে।
তৈরি হয়ে গেল মালপোয়া ।।
বিস্তারিত পড়ুন

পাটিসাপটা পিঠা রেসিপি - খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন পাটিসাপটা পিঠা

পাটিসাপটা পিঠা রেসিপি - খুব সহজেই বানিয়ে ফেলুন পাটিসাপটা পিঠা

পাটিসাপটা পিঠা

Patishapta-Pitha-Popular-Bengali-Pitha-Recipe

উপকরণ :- চাল ২ কাপ, ১ কাপ ময়দা, লাগছে হালকা গরম জল, নুন পরিমাণ মতো, পুর বানানোর জন্য লাগছে ১ টা মাঝারি মাপের নাড়কেল কোড়া, খোয়াক্ষীর ১০০ গ্রাম( খোয়াক্ষীর গ্রেড করে নিতে হবে), লাগছে চিনি পরিমাণ মতো, সামান্য তেল আর লাগছে টিস্যু পেপার বা ব্রাশ।

 কি ভাবে বানাবেন পাটিসাপটা পিঠা ?




প্রণালি :- ২ কাপ চাল কিন্তু সারারাত ভিজিয়ে সকালে ভালোভাবে বেটে নিতে হবে।
এরপর ওই বাটা চালের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন। মিষ্টি খাবার এ বেশি নুন এর প্রয়োজন হয়না। এবার সামান্য একটু জল দিয়ে চাল বাটা ভালোভাবে গুলিয়ে নিতে হবে।
এরপর ওই চাল বাটার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ কাপ ময়দা। এবার একটু বেশি পরিমাণ জল দিয়ে চাল বাটা আর ময়দা ভালোভাবে গুলতে হবে, যেনো ডেলা পাকিয়ে না যায়। মিশ্রণ টা কিন্তু পাতলা হবে, গাঢ় হলে পিঠা মোটা হবে। এটা কিন্তু গুলতে হবে হালকা গরম জল দিয়ে।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে। তাই এ সময় বানিয়ে নিতে হবে পিঠার পুর।
পুর বানানোর জন্য কড়াতে নিতে হবে নাড়কেল কোড়া।
নাড়কেল কোড়ার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আধা কাপ চিনি। চিনি টা অবশ্যই কম বা বেশি দিতে পারেন।
এরপর দিতে হবে অল্প একটু জল, যাতে নাড়কেল সেদ্ধ হয়।
এবার বেশ কিছুক্ষণ নাড়কেল কোড়া নাড়াচাড়া করতে হবে, যাতে নাড়কেলের জল শুকিয়ে যায় আর তার সাথে নাড়কেলের রং টা পাল্টে যায়। এটা বানাতে একটু সময় লাগে।
নাড়কেল কোড়া যখন শুকনো শুকনো হবে, ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে গ্রেড করা খোয়াক্ষীর।
নাড়কেল কোড়া আর খোয়াক্ষীর ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
নাড়কেল কোড়া আর খোয়াক্ষীর ভালোভাবে মিশিয়ে নিলেই তৈরি পাটিসাপটা পিঠার পুর। এবার এটা নামিয়ে নিতে হবে।
এরপর পিঠা বানানোর জন্য একটি হাতল যুক্ত চ্যাপ্টা পাত্র ওভেন এ বাসাতে হবে ( মানে এমন একটি পাত্র যার নিচের দিক টা সমতল, কড়াই হলেও হবে)।পাত্রটি গরম হলে টিস্যু পেপার এ সামান্য তেল নিয়ে ভালোভাবে পাত্রে বুলিয়ে দিতে হবে, যাতে পিঠা নীচে না লেগে যায়।
পাত্রটা গরম তাই এই কাজটি একটু সাবধানে করতে হবে।
এরপর আগে থেকে বানানো চাল আর ময়দার মিশ্রণ থেকে বেশ কিছুটা নিয়ে, দিয়ে দিতে হবে গরম পাত্রে।
এরপর পাত্রটির হাতল ধরে গোল করে চারিদিকে ছড়িয়ে দিতে হবে। পিঠা কিন্তু পাতলা হবে।
এবার এটা আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে বেশ কিছুক্ষণ।
কিছুক্ষণ পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। দেখাযাবে চারদিক থেকে পিঠা উঠে এসেছে।
এরপর ঐ পিঠার মধ্যে দিতে হবে খোয়াক্ষীর আর নাড়কেল দিয়ে বানানো কিছুটা পুর।
এবার এটা সাবধানে পাট করে দিতে হবে যাতে পুর বেড়িয়ে না যায়।
এরপর ওটা তুলে নিতে হবে পাত্র থেকে। তৈরি পাটিসাপটা পিঠা। একিভাবে বাকি পিঠা বানিয়ে নিতে হবে। সব পিঠা বানানো হলে পরিবেশন করুন পাটিসাপটা পিঠা।
বিস্তারিত পড়ুন

সুজির রস মঞ্জুরি পিঠা

সুজির রস মঞ্জুরি  পিঠা

সুজির রস মঞ্জুরি পিঠা রেসিপি


Bengali-Sweets-Pitha-Recipe

উপকরণ :- সুজি ১ কাপ, দুধ ২ কাপ, ২ চামচ ময়দা, ১ টা ডিম, ৪ টি এলাচ থেঁতো করা, নুন সামান্য, চিনি ১ টেবিল চামচ, তাছাড়া আরও লাগছে ২ কাপ চিনি, ঘি ১ চামচ আর লাগছে ভাজবার জন্য তেল।


 কি ভাবে বানাবেন সুজির রস মঞ্জুরি  পিঠা ?





প্রণালি :- প্রথমে সুজি আর দুধ দিয়ে একটা মন্ড বানানোর জন্য কড়াতে দুধ নিতে হবে।
দুধের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে নুন আর ১ টেবিল চামচ চিনি।
এবার দুধ ভালোভাবে ফুটতে দিতে হবে।
দুধ ভালোভাবে ফুটে উঠলে ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সুজি। সুজি কিন্তু না ভেজেই কাঁচা সুজি দিতে হবে।
সুজি আর দুধ মিশিয়ে নিতে হবে, এটা কিন্তু বানাতে হবে শুকনো শুকনো। যেমন আমরা রুটি বানানোর জন্য আটা মেখে থাকি।
যখন সুজি শুকনো শুকনো হয়ে যাবে, ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ময়দা, যাতে সুজি আরও শুকনো শুকনো হয়। কারণ এতে আবার ডিম দেওয়া হবে। তবে ময়দা কি ন্তু ২ চামচ এর বেশি দিলে হবে না, তা হলে পিঠা শক্ত হয়ে যাবে। রসে দেওয়ার পরেও কিন্তু পিঠা নরম হবে না।
সুজি শুকনো হয়ে গেলে, নামিয়ে নিতে হবে আর একটু ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এটা কিন্তু মাখতে হবে একটু গরম থাকতে থাকতেই।
সুজি যখন একটু ঠান্ডা হবে, ওর মধ্যে দিতে হবে ঘি, আর ডিম টা ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে।
এরপর সব উপকরণ ভালোভাবে মেখে নিতে হবে।
সব উপকরণ ভালোভাবে মাখা হলে রুটির মতো করে বেলে নিতে হবে বেশ মোটা করে। এটা কিন্তু রুটির মতো পাতলা করে বেললে হবে না। এরপর একটা কুকিজ কাটার দিয়ে কেটে নিতে হবে সব পিঠা।
এবার বানাতে হবে চিনির সিরা, তাই একটি পাত্রে নিতে হবে ২ কাপ চিনি। আর দিতে হবে ২ কাপ জল।
এবার এটা হতে দিতে হবে যতোক্ষন না সব চিনি গলে যায়।
সব চিনি গলে গেলে নামিয়ে নিতে হবে চিনির সিরা।
এরপর পিঠা ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে পিঠা।
উল্টে পাল্টে লালচে করে ভাজতে হবে পিঠা।
পিঠা ভাজা হলে তুলে নিতে হবে তেল ঝড়িয়ে। একিভাবে সব পিঠা ভেজে তুলে নিতে হবে।
এরপর চিনির সিরা যদি ঠাণ্ডা হয়ে যায়, হালকা গরম করে নিতে হবে।
চিনির সিরা গরম হলে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে, আর ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ভাজা পিঠা।
এবার এটা নামিয়ে রেখে দিতে হবে বেশ কয়েক ঘন্টা। ৮ -১০ ঘন্টা রাখলেই হবে। এটা কিন্তু ফ্রিজে রাখলে হবে না।
পিঠা যখন চিনির রস ঢুকে নরম হয়ে যাবে, তখন পরিবেশন করুন সুজির রস মঞ্জুরি পিঠা।
বিস্তারিত পড়ুন

নারকেলের ভাজা পুলি পিঠা

নারকেলের ভাজা পুলি পিঠা

নারকেলের ভাজা পুলি রেসিপি 

শীত কাল মানেই পিঠা বানানোর একটা ধুম পরে যায়। আর এটা বানানো তো খুবই সহজ । কি ভাবে বানাবেন এই নারকেলের ভাজা পুলি পিঠা ?

Narkeler-Vaja-Puli-Piha-Bengali-Recipe

উপকরণ :- ১ টা নারকেল কোরা, ১০০ গ্রাম গুড় ( আমি এখানে পাটালি গুড় নিয়েছি, আপনারা চাইলে যে কোন গুড় দিয়ে এটা বানাতে পারেন), সামান্য আদা ছেঁচা, ২ কাপ ময়দা,চিনি ১ চামচ, নুন সামান্য আর লাগছে ভাজবার জন্য তেল।

কি ভাবে বানাবেন  নারকেলের ভাজা পুলি ?





প্রণালি :- প্রথমে ময়দা মাখার জন্য, একটি পাত্রে ময়দা নিতে হবে।২ কাপ ময়দাই নিতে হবে।
ময়দার মধ্যে দিতে হবে সামান্য নুন। দিয়ে দিতে হবে ১ চামচ চিনি আর ২ চামচ তেল।
এবার সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প অল্প জল দিয়ে ময়দা ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। ময়দা মাখাটা কিন্তু একটু শক্ত করে মাখতে হবে, তা হলে ভাজা পুলি মচমচে হবে।
ময়দা ভালোভাবে মাখা হলে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ মিনিট।
এ সময় বানিয়ে নিতে হবে পিঠার পুর, তাই কড়াতে নিতে হবে নারকেল কোরা।
‎নারকেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে গুড়। আমি এখানে ১০০ গ্রাম দিচ্ছি, আপনারা চাইলে অবশ্যই বেশি বা কম গুড় দিয়ে এটা বানাতে পারেন।
‎দিয়ে দিতে হবে আদা ছেঁচা আর দিয়ে দিতে হবে অল্প জল। যাতে গুড় গলে যায় নারকেল টা সেদ্ধ হয়ে যায়।
‎এটা বানাতে একটু সময় লাগে। আমি নারকেল টা কুড়েছি হাত কোড়ানি দিয়ে, যাতে নারকেলটা একটু বড়ো বড়ো হয়। এতে পিঠা খেতে ভাল হয়।
‎নারকেল টা শুকনো শুকনো হলে নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে, আর একটু ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
‎এবার বানাতে হবে পুলি তাই মাখা ময়দা থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিতে হবে, ঠিক যেভাবে আমরা লুচি বানানোর জন্য নিয়ে থাকি।
‎এরপর একটা লেচি নিতে হবে আর বাকি লেচি ঢেকে রেখে দিতে হবে।
‎এবার লেচি টা প্রথমে গোল করে চ্যাপ্টা করে নিতে হবে। এরপর বেলতে হবে লুচির মতো করে কিন্তু মাঝের থেকে ধার একটু পাতলা করে বেলতে হবে, মাঝখান টা একটু মোটা করে বেলতে হবে।
এরপর মাঝে দিতে হবে নারকেলের পুর। এবার এক প্রান্ত নিয়ে এসে অপর প্রান্তের ওপর দিয়ে দিতে হবে। পুর যাতে বেড়িয়ে না যায়, তাই এবার দু'প্রান্ত মুড়ে দিতে হবে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে।
‎একিভাবে সব পুলি বানিয়ে নিতে হবে।
‎এরপর পুলি ভাজবার জন্য তেল গরম বসিয়ে দিতে হবে। তেল কিন্তু বেশি গরম করবার দরকার নেই।
‎গরম তেলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে পুলি।
‎উল্টে পাল্টে পুলি ভেজে নিতে হবে। এটা ভাজতে হবে আঁচ টা একটু কমিয়ে, একটু সময় দিয়ে। তাহলে পিঠা মচমচে হবে।
‎দু'পিঠই লালচে করে ভেজে তুলে নিতে হবে, নারকেলের ভাজা পুলি।
‎একিভাবে সব পুলি বানিয়ে নিতে হবে।
‎এই নারকেলের ভাজা পুলি একটু গরম থাকতে থাকতে খেলে মচমচে থাকে। কিন্তু যদি বেশ কিছুক্ষণ ঢাকা দিয়ে রাখা হয় তাহলে মচমচে ভাবটা আর থাকেনা।
‎সব পুলি ভাজা হলে পরিবেশন করুন নারকেলের ভাজা পুলি।
বিস্তারিত পড়ুন